বাংলা হান্ট ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গের সরকারি ও সরকার-পোষিত স্কুলের শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের জন্য স্বস্তির খবর। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের প্রভিডেন্ট ফান্ড (PF)-এর সুদ সংশ্লিষ্ট কর্মীদের অ্যাকাউন্টে যোগ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই অনেকেই তাঁদের মোবাইলে WBIFMS-এর পক্ষ থেকে এসএমএস পেয়েছেন। যাঁদের কাছে এখনও কোনও এসএমএস পৌঁছয়নি, তাঁরাও নির্দিষ্ট অনলাইন পদ্ধতিতে নিজের অ্যাকাউন্টের তথ্য যাচাই করতে পারবেন।
কীভাবে দেখবেন প্রভিডেন্ট ফান্ডে (PF) সুদ এসেছে কিনা ?
প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুদ জমা হওয়ার পর WBIFMS-এর তরফে যে এসএমএস পাঠানো হচ্ছে, সেটি শুধুমাত্র সুদ জমার খবরই জানাচ্ছে না, বরং অ্যাকাউন্টের সামগ্রিক আর্থিক অবস্থারও একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরছে। প্রথমেই সেখানে অর্থবর্ষের উল্লেখ করা হয়েছে। ওই অর্থবর্ষে আপনার PF-এ মোট কত টাকা সুদ যোগ হয়েছে, তার সঠিক তথ্য উল্লেখ থাকছে। ফলে আলাদা করে হিসাব না করেও সহজেই সুদের পরিমাণ জানা সম্ভব হচ্ছে।
এসএমএসে কর্মীর PF অ্যাকাউন্ট নম্বরও দেওয়া হচ্ছে। এই নম্বরটি সাধারণত ESS দিয়ে শুরু হয়। শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট কর্মীর সম্পূর্ণ নাম উল্লেখ থাকায় বার্তাটি সঠিক ব্যক্তির জন্য পাঠানো হয়েছে কি না, সেটিও সহজে যাচাই করা যায়। দেওয়া হচ্ছে আপনার প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে মোট কত টাকা সঞ্চিত রয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ হিসাব। সব শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর কাছে একই দিনে এসএমএস পৌঁছনো সম্ভব নয়।
অনেক ক্ষেত্রেই ধাপে ধাপে সুদের অর্থ ক্রেডিট করা হয় এবং সেই অনুযায়ী বার্তাও পাঠানো হয়। তাই এখনও যদি কোনও এসএমএস না পেয়ে থাকেন, তাহলে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনি WBIFMS পোর্টালে লগ-ইন করে নিজের PF অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্ট বা ব্যালেন্স পরীক্ষা করতে পারেন। সেখানে সুদের টাকা যুক্ত হয়েছে কি না, তা সহজেই দেখা যাবে।

আরও পড়ুন :পড়ুয়াদের মিড-ডে মিলের মাংস ‘চুরি’ করে স্যারের অ্যানিভার্সারির ভোজ? অভিযোগে তোলপাড় নদিয়ার স্কুলে
যদি সুদের অঙ্ক, ক্লোজিং ব্যালেন্স বা অন্য কোনও তথ্যের সঙ্গে আপনার নিজস্ব হিসাবের মিল না থাকে, তাহলে দেরি না করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অথবা সংশ্লিষ্ট SI বা DI অফিসে যোগাযোগ করুন। অবসর গ্রহণের সময় প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থই অনেকের আর্থিক ভরসা হয়ে ওঠে। তাই এখন থেকেই অ্যাকাউন্টের প্রতিটি তথ্য সঠিকভাবে মিলিয়ে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। সময়মতো যাচাই করলে ভবিষ্যতে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা এড়ানো সম্ভব হবে।













