বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বারুইপুরে নাবালিকা নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় (Baruipur Rape and Murder Case) তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশের দাবি, এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ছিল প্রভাস। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, অনেক দিন ধরেই ওই নাবালিকার উপর নজর ছিল তার। মেয়েটির বিশ্বাস অর্জনের জন্য সে আগে থেকেই বন্ধুত্বও করেছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।
বারুইপুর কাণ্ডে (Baruipur Rape and Murder Case) প্রভাসকে নিয়ে নতুন তথ্য
ঘটনার (Baruipur Rape and Murder Case) পর থেকেই পুলিশ দাবি করে আসছিল, প্রভাসই এই মামলার মূল অভিযুক্ত। তার মৃত্যুর পর গ্রেপ্তার হওয়া কবীর মোল্লা, দিবাকর সর্দার ও আনন্দ সর্দারকে জেরা করে আরও কিছু তথ্য পেয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, একই এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় প্রভাস আগে থেকেই নাবালিকাকে চিনত। ধীরে ধীরে তার সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে বন্ধুত্ব করে। পরে সেই পরিচয়ের সুযোগ নিয়েই মেয়েটিকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে মনে করছে পুলিশ।
প্রভাসের মৃত্যুর পর তার মা ও স্ত্রীও তার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। তাঁরা জানিয়েছিলেন, প্রভাস নিয়মিত নেশা করত। স্ত্রীর অভিযোগ ছিল, তার স্বভাব-চরিত্র ভালো ছিল না। প্রতিবেশীদের একাংশও প্রভাস সম্পর্কে একই ধরনের অভিযোগ করেছিলেন। পুলিশের দাবি, নাবালিকাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হবে, ঘটনার পর কী করা হবে এবং কীভাবে পুলিশের হাত এড়ানো যাবে, সেই সব পরিকল্পনা আগেই করা হয়েছিল। ধৃতদের জেরায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে, জেরার একটি ভিডিওতে ‘রাজা’ নামে এক ব্যক্তির উল্লেখ পাওয়া গিয়েছে। এই রাজা কে, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি ধৃতদের কারও ডাকনাম হতে পারে। আবার তদন্তকে বিভ্রান্ত করতেও ওই নাম বলা হয়ে থাকতে পারে। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রভাসের কোনও স্থায়ী কাজ ছিল না। বেশিরভাগ সময় সে নেশার মধ্যেই কাটাত। পরিবারের সঙ্গেও তার সম্পর্ক খুব একটা ভালো ছিল না।

আরও পড়ুনঃ মহিলাদের দ্রুত সাহায্য দিতে প্রস্তুত পুলিশ, কীভাবে কাজ করবে Women Help Desk?
তদন্ত এখনও চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের আবার ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে পুরো ঘটনার (Baruipur Rape and Murder Case) পুনর্নির্মাণ করা হবে। সেখান থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।













