একাধিক বিয়ে করলেই যাবে সরকারি চাকরি, নারী ক্ষমতায়নে বড় পদক্ষেপ অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

Published on:

Published on:

The Anti-Polygamy Rule 2025
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বহুবিবাহ রুখতে এবার আরও কড়া অসম সরকার। একের বেশি বিয়ে করলে এবার থেকে তাদের জন্য একাধিক সরকারি সুবিধা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল অসম সরকার। শুক্রবার আসাম বিধানসভায় বাজেট পেশ করে বহুবিবাহ প্রথা রোধের জন্য আইন ( Anti-Poligamy Bill 2025) চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সরকার।

একাধিক বিয়ে করলে সরকারি চাকরি থেকে বাতিল!

নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী যারা সেখানে এবার থেকে একের বেশি বিয়ে করবেন তারা রাজ্য সরকারী জনকল্যাণমূলক কেনো প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার অযোগ্য বলে গণ্য করা হবে। শুধু তাই নয় যদি সেই সরকারি কর্মচারী যদি তার প্রথম স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় বিয়ে করেন তাহলে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে।

শুক্রবার অসমের অর্থমন্ত্রী জয়ন্ত মল্ল বড়ুয়া অসম বিধানসভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের একটি রাজ্য বাজেট পেশ করেছিলেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন রাজ্যের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি গুলি শুধুমাত্র উপযুক্ত প্রাপকদের কাছে পৌঁছালেই হবে না একইসাথে সমাজে অন্তর্ভুক্তি সততা ও নৈতিক মূল্যবোধ ও সুনিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ মিলেছে রাজ্যপালের অনুমোদন, সোম থেকেই বাংলা চালু ‘গুন্ডা দমন আইন’, সুখবর দিলেন শুভেন্দু

কোনো সরকারি প্রকল্পের সুবিধাও মিলবে না

অর্থমন্ত্রীর কথায়, নারীর ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গ ন্যায়বিচারকে নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বহুবিবাহে যুক্ত  কোনও পুরুষ সরকারি কোনও জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন ৷ বহুবিবাহ রুখতে এই বাজেটে ‘অসম সার্ভিসেস (ডিসিপ্লিন অ্যান্ড আপিল) রুলস, 1964’ সংশোধনের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। এই সংশোধনী অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারী বহুবিবাহের দোষে দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে।

প্রসঙ্গত অসম বিধানসভায় ‘অসম বহুবিবাহ নিষিদ্ধকরণ বিল, ২০২৫’ (Assam Anti-Polygamy Bill 2025) পাস হওয়ার এক বছর পর এই প্রস্তাবগুলো করা হল। এই বহুবিবাহ বিরোধী আইন অনুযায়ী, প্রথম বিয়ে আইনত বলবৎ থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করলে বা তা গোপন করলে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা হতে পারে। আইনটি সারা আসাম বাসীর জন্য কার্যকর হবে। তবে ষষ্ঠ তফশিলভুক্ত এবং তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের সদস্যদের ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য নয়।