বাংলা হান্ট ডেস্ক: স্বাস্থ্যের জন্য ওটস ভালো তা চিকিৎসক থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ সকলেই জানেন। পাশাপাশি আধুনিক লাইফ স্টাইলে সুপার ফুড হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে এই খাবারটি। সকালবেলা ব্যস্ত সময় চন্দ্র জলদি পুষ্টি (Health) পেত অনেকেই এখন পাউরুটির বদলে বাটি ভর্তি ওটস এর উপর ভরসা রাখছেন। আবার কেউ কেউ, ওটস এর খিচুড়ি পছন্দ করছেন। আবার কেউ কেউ রাতের দুধ দয়ের সঙ্গে ভিজিয়ে ওভারনাইট ওটস খাচ্ছেন। তবে আজকের প্রতিবেদনে রইল, এই খাবারটি পেটে গেলে শরীরের ঠিক কি কি বদল আসে সেই বিষয়ে তথ্য।
রোজ ওটস খেলে শরীরে কী হয়? (Health)
১) ওটসে রয়েছে ‘বেটা-গ্লুক্যান’ নামের এক বিশেষ ধরনের দ্রবণীয় ফাইবার। গবেষকদের মতে, এই উপাদানটি খাদ্যনালীতে গিয়ে একটি পিচ্ছিল স্তর তৈরি করে, যা মলত্যাগ সহজ করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের অবসান ঘটায় (Health)।

আরও পড়ুন: পুরীগামী যাত্রীদের স্বস্তি! নবদ্বীপের জন্য ৬ দিনের বিশেষ EMU লোকাল পরিষেবা
২)ওজন কমানোর লড়াইয়ে ওটস এক দারুণ হাতিয়ার। এটি খাওয়ার পর শরীর থেকে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে।
৩) ডায়াবিটিস রোগীদের ক্ষেত্রেও ওটস রক্তে শর্করার মাত্রা হুট করে বাড়তে দেয় না, কারণ এটি শরীরে খুব ধীরে ধীরে শোষিত হয়।
তবে চিকিৎসকদের মতে ওটস খাওয়ার পাশাপাশি সারা দিনে পর্যাপ্ত জল না খেলে কিন্তু উল্টে পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার ওটসকে তখনই উপকারী বলা যাবে।
কিন্তু যখন এতে কৃত্রিম চিনি বা ফ্লেভারড সিরাপ মেশানো হবে না। পুষ্টিগুণ ধরে রাখতে রোলড ওটসের সঙ্গে টক দই, তাজা ফল এবং সামান্য দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে নেওয়া সবচেয়ে ভালো। এতে শরীর একদিকে যেমন ভালো থাকে তেমনি ওজন কমাতেও সাহায্য করে (Health)।













