বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রেস্তোরাঁ কিংবা অনুষ্ঠানের উদ্বৃত্ত খাবার সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়। তবে এবার থেকে আর তেমনটা হবে না। বরং সেগুলি সংগ্রহ করে দুঃস্থদের মধ্যে বিলি (Food Distribution) করা হবে। এমনই ঘোষণা করেছেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। এর পাশাপাশি মা আহার নিয়েও বড় ঘোষণা করেছেন তিনি।
শহরে খাদ্যবণ্টন ব্যবস্থা নিয়ে বড় ঘোষণা অগ্নিমিত্রার | (Agnimitra Paul)
শুক্রবার রাজ্য বিধানসভায় পুর বাজেট সংক্রান্ত আলোচনার সময় দু’টি বড় ঘোষণা করেন অগ্নিমিত্রা। তিনি বলেন, বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ ও সামাজিক অনুষ্ঠানে উদ্বৃত্ত খাবারদাবার পুনর্ব্যবহার নিয়ে বিকল্প বন্দোবস্ত করতে চলেছে পুরসভা। এবার থেকে সেগুলি সংগ্রহ করে রাতে স্টোরে রাখা হবে। পরের দিন পুরসভার ফুড সেফটি অফিসার খাবারগুলির গুণমান পরীক্ষা করে দেখবেন। সব ঠিকঠাক থাকলে দুঃস্থ মানুষদের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়া হবে।
আরও পড়ুনঃ কল্যাণকে ‘সরিয়ে দিল’ SSC! নতুন আইনজীবী নিয়োগ কমিশনের, কারা দায়িত্ব পেলেন?
পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী জানান, দ্রুতই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। এর জন্য আলাদা করে তৈরি করা হবে কোল্ড চেন। এই উদ্যোগের ফলে দারিদ্রসীমার নীচে থাকা মানুষজনও ভালো খাবার খেতে পারবেন।
এদিন পুর বাজেট সংক্রান্ত আলোচনার সময় মা আহার নিয়েও বড় ঘোষণা করেন অগ্নিমিত্রা। তিনি বলেন, এতদিন মা আহার থেকে খাবার কিনে রাস্তায় দাঁড়িয়ে অথবা অন্য কোথাও নিয়ে গিয়ে খেতে হত। তবে এবার থেকে মা আহারে বসেই খাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর জন্য আলাদা কোনও টাকা দিতে হবে না।

রাজ্যের মন্ত্রী বলেন, রাজ্যের নানা হাসপাতালের আশেপাশে অন্তত ১০০টি মা আহার রয়েছে। রোগীর পরিবারের সদস্য সহ সকলকে মিলিয়ে রোজ অন্তত ৮৫ হাজার মানুষ এখান থেকে খাবার খান। এবার তাঁরা প্রত্যেকে রেস্তোরাঁর মতো মা আহারে বসে খাবার খেতে পারবেন।
রেস্তোরাঁ, অনুষ্ঠানের উদ্বৃত্ত খাবার বিলি ও মা আহার সংক্রান্ত অগ্নিমিত্রার ঘোষণাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেকে। প্রথমটির ফলে একদিকে যেমন খাবার অপচয় বন্ধ হবে, তেমনই অনেক দুঃস্থ মানুষ ভালো খাবার খেতে পারবেন। অন্যদিকে দ্বিতীয়টির ফলে আর রাস্তায় দাঁড়িয়ে কিংবা অন্য কোথাও বসে কাউকে খেতে হবে না। মা আহার থেকে কেনা খাবার সেখানে বসেই খেতে পারবেন সকলে।













