সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাকাউন্ট ধরে ধরে নোটিস, নাম-ঠিকানাও চাইছে পুলিশ, কেন?

Published on:

Published on:

Kolkata Police Major Reshuffle After Suvendu Takes Charge
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দিল্লিতে ছাত্র আন্দোলন চলার সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় করা কিছু পোস্ট নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে দিল্লি পুলিশ। অভিযোগ, কয়েকটি অ্যাকাউন্ট থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং দেশের নিরাপত্তা বাহিনীকে নিয়ে আপত্তিকর ও অপমানজনক মন্তব্য করা হয়েছে। সেই কারণেই কিছু সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী এবং এক্স (আগের টুইটার)-এর কাছে তথ্য চেয়ে নোটিস (Social Media Notice) পাঠানো হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট নিয়ে কড়া নজর (Social Media Notice)

দিল্লি পুলিশের দাবি, ছাত্র আন্দোলন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কিছু পোস্ট, ভিডিয়ো ও মন্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের সম্পর্কে অপমানজনক কথা বলা হয়েছে। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখতেই তদন্ত শুরু হয়েছে। এই তদন্তের জন্য একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টকে চিহ্নিত করা হয়েছে। যেসব অ্যাকাউন্ট থেকে ওই পোস্ট করা হয়েছে বলে অভিযোগ, তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি এক্স প্ল্যাটফর্মকেও নোটিস (Social Media Notice) পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত কোনও পোস্ট বা ভিডিয়ো এখনও প্ল্যাটফর্মে থাকলে তা সরিয়ে দিতে হবে। একই সঙ্গে ওই অ্যাকাউন্টগুলির মালিকদের তথ্যও দিতে বলা হয়েছে। নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, ই-মেল আইডির মতো তথ্য চেয়েছে পুলিশ। এছাড়া কখন অ্যাকাউন্টে লগইন করা হয়েছে, কখন লগআউট করা হয়েছে, সেই তথ্যও জমা দিতে বলা হয়েছে। যদি এক্সের কাছে ওই অ্যাকাউন্টগুলি সম্পর্কে আরও কোনও তথ্য থাকে, সেটিও তদন্তে সাহায্যের জন্য দিতে বলা হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত কতগুলি অ্যাকাউন্টকে নোটিস (Social Media Notice) পাঠানো হয়েছে, তা স্পষ্ট করা হয়নি। তবে ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত পোস্ট, ভিডিয়ো ও মন্তব্যের উপর নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

Will social media be banned for minors in India too?

আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম নির্দেশে জামিন, তবু বন্ধ নয় তদন্ত! NEET আন্দোলন মামলায় কেন সক্রিয় লালবাজার?

এর আগে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছিল, ৪০০-রও বেশি সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলির সঙ্গে পাকিস্তানের যোগ থাকতে পারে বলে সন্দেহ। অভিযোগ, ওই অ্যাকাউন্টগুলি ছাত্র আন্দোলন নিয়ে ভুয়ো খবর এবং ডিপফেক ভিডিয়ো ছড়াচ্ছিল। সেই কারণেও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন কার্যকলাপের উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে (Social Media Notice)।