বাংলা হান্ট ডেস্ক: ভাত হলো এমন একটা খাবার যা এশিয়ার প্রায় প্রতিটি ঘরে রান্না হয়। তবে বর্তমানে বাজারে এসেছে ব্রাউন রাইস। তবে প্রতিদিন ভাত খাওয়ার বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা রয়েছে। কারণ ভাতের মধ্যে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট। এটি সারাদিন বজায় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ভাতে ম্যাঙ্গানিজ, ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি এর মতন নানা রকমের পুষ্টি রয়েছে (Health)। যা শরীরের পক্ষে ভীষণই উপকারী। তবে আজকে প্রতিবেদনে জানানো হলো বয়সবার এর সঙ্গে সঙ্গে ঠিক ভাতের পরিমাণ কতটা প্রয়োজন সে বিষয়ে তথ্য।
ভাত খাওয়ার সঠিক পরিমাণ জানুন (Health)
সম্প্রতি এক গবেষণা বলা হয়েছে আপনি একমাস যদি ভাত না খেয়ে থাকেন, তাহলে আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাবের ওজন কমানো সম্ভাবনা থাকে। পাশাপাশি কার্বোহাইড্রেট না খাওয়ার কারণে রক্তের শর্করার মাত্রা ও নিয়ন্ত্রণে থাকে। তবে মানুষ তার ভাতের স্বাদ অনুযায়ী যদি খায় এবং বয়সে অনুযায়ী যদি ভাত খাওয়ার উপযুক্ত পরিমাণ আলাদা হয় তাহলে ভাত খেলে শারীরিকভাবে সেই রকম কোন ক্ষতি দেখা যায় না (Health)।

আরও পড়ুন: পেট্রোল-ডিজেলের দামে বড় আপডেট! মাসের শেষ দিনে কতটা বদল, দেখে নিন
জেনে নিন কতবার ভাত খাওয়া উচিত?
আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতিদিন ৬ বার শস্য খাওয়া উচিত। যার মধ্যে ভাত অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এবার আপনি যে শস্য খাবেন তা অন্তত অর্ধেক গোটা শস্য হওয়া উচিত। তাই বাদামি বা কালো চালের মতন গোটা শস্যজাতীয় চাল খাওয়া ভালো শরীরের পক্ষে।
এই বিষয়ে আমেরিকান অ্যাকাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক অনুযায়ী, এক থেকে তিন বছর বয়সী শিশুদের এক চতুর্থাংশ কাপ রান্না করা ভাত খাওয়ানো উচিত। চার থেকে ছয় বছর বয়সীদের ১/৩ কাপ রান্না করা ভাত এবং সাত বছর বয়সী বা তার বড় শিশুদের ১/২ কাপ ভাত খাওয়ানো উচিত।
এছাড়াও, ৯ থেকে ১৩ বছর বয়সী ৬ রকমের শস্য খাওয়ানো উচিত। যার মধ্যে ভাত থাকা একান্তই প্রয়োজনীয়। পাশাপাশি ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী মেয়েদের ছয় রকমের এবং ছেলেদের সাত রকমের শস্য খাওয়া একান্তই প্রয়োজন। ১৯ থেকে ৫০ বছর বয়সী পুরুষদের আটটি সার্ভিং এবং মহিলাদের ৬ থেকে ৭ টি সার্ভিং খাওয়া উচিত।
পাশাপাশি ৫১ বছর বয়সের বেশি পুরুষদের সাতটি পরিবেশ এবং মহিলাদের ছয়টি শস্য খাওয়া উচিত। অর্থাৎ একবার খাবারে ৯৫ গ্রাম রান্না করা ভাত খেয়ে যেতে পারে (Health)।













