বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ১১ সপ্তাহ হয়েছে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি সরকার। এরই মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে দলের লোয়ার লেভেল কর্মীদের একাংশের ভূমিকা বর্তমানে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে দলের অন্দরেই। তাই রবিবার একপ্রকার সতর্ক করে দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা পশ্চিমবঙ্গের সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)।
কড়া ভাষায় সতর্ক করলেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য
রবিবার রাজারহাটে এক দলীয় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সেখানেই তিনি স্পষ্ট করে দেন, তৃণমূলের যে সংক্রামক অপসংস্কৃত ছিল সেটা যদি কোনোভাবে বিজেপির শরীরে থাবা বসায় তাহলে দলের অস্তিত্ব বিপন্ন হওয়ার পরিস্থিতি আসবে। মানুষ রাজনৈতিক অভ্যাসের বদল চেয়েই বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। তাই যদি কেউ পুরোনোদিনের বদ অভ্যাস বজায় রাখেন তাকে কিন্তু দল সহ্য করবে না।
বহু কর্মীদের কাজে বিচ্যুতির খবর পৌঁছেছে শমীকবাবুর কাছে। তাদের উদ্দেশ্যে তিনি জানান, দু-এক জায়গায় কর্মীদের কিছু ছোটখাটো ভুল-ত্রুটির খোঁজ মিলেছে। সেসব তার নিজেরাই ঠিক করে নেবে। কারণ বিজেপির তৃণমূলীকরণ অসম্ভব। আর কখোনও যদি সেটা হয়, তাহলে দলটা আর যাই হোক না কেন বিজেপি থাকবে না। তাই এই কথা মাথায় রেখেই দলীয় সংস্কৃতির কোনো অন্যথা হতে দেওয়া যাবে না।
আরও পড়ুনঃ ‘বামপন্থীরা আসলে সিউডো সেকুলার!’ তসলিমা থেকে টুলু মন্ডলদের নিয়ে বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার
অবশ্য এখানেই থামেননি তিনি। তারপর তিনি আরও জানান, ইদানিং দেখা যাচ্ছে কিছু এলাকায় কিছু ব্যক্তিরা নিজেদের স্বঘোষিত কাউন্সিলার বানিয়ে ফেলেছেন।তাছাড়া রক্তদান শিবির করে মাইক বাজিয়ে শ্বব্দ দূষণ চলছে। হয়তো ৪৪ জন রক্ত দান করেছেন, এদিকে মোট মাইক সংখ্যা ৪৪৪। এই ধরণের সস্তা আর বিরক্তিকর সংস্কৃতি ট্যাগ করতে হবে।
তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট নিয়েও দিলেন বার্তা
এদিনের মঞ্চ থেকেই তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট প্রসঙ্গেও বার্তা দিয়েছেন তিনি। শমীক ভট্টাচার্যের মতে, আমি যদিও আজ দলের প্রতিনিধি হিসাবে যদি বলি, রাজ্যের সবজায়গায় তোলাবাজি বন্ধ করতে পেরেছি তাহলে সেটা সম্পূর্ণ ভুল। কারণ বিগত কয়েক দশক ধরে এক অনৈতিক ব্যবস্থা চলছে। তবে সার্বিক পরিবর্তনের জন্য হকুব বেশি সময় লাগবে না। বরং দলীয় নিয়ম ভুলে গেলে কিংবা বেআইনি কাজের সাথে যুক্ত হলে কাউকে রেয়াত করা হবে না।
















