বাংলা হান্ট ডেস্কঃ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে শুরু করে অন্নপূর্ণা যোজনা, বিভিন্ন সময় মহিলাদের জন্য নানা প্রকল্প (Government Scheme) চালু করা হয়েছে। এগুলির মাধ্যমে তাঁদের মাসে মাসে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এবার সেই তালিকায় জুড়েছে দিল্লি লক্ষ্মী যোজনার (Delhi Lakshmi Yojana) নাম। এই প্রকল্পে মাসে মাসে ২৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে। তবে উপভোক্তা নির্বাচনের জন্য রয়েছে বেশ কিছু শর্ত।
মহিলাদের জন্য বাম্পার প্রকল্প সরকারের | (Delhi Lakshmi Yojana)
মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করতে সম্প্রতি বড় ঘোষণা করেছে দিল্লি সরকার। মন্ত্রিসভায় দিল্লি লক্ষ্মী যোজনার ক্ষেত্রে অনুমোদন মেলার পর গত ১ আগস্ট থেকে এই প্রকল্পে আবেদন শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৪ লক্ষের বেশি মহিলা আবেদন করে ফেলেছেন।
আরও পড়ুনঃ ‘স্বাধীনতা সংগ্রামীরা বুকে বুলেট খেয়েছেন, আর MP হয়ে ডিমে ভয়?’ মহুয়াকে সুপ্রিম-ভর্ৎসনা
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা আগেই জানিয়েছিলেন, রাখির মধ্যে যাতে দিল্লি লক্ষ্মী যোজনার প্রথম কিস্তি দিয়ে দেওয়া যায় সেই বিষয়ে ব্যবস্থা করছে সরকার। তবে আবেদন করলেই এই প্রকল্পের টাকা পাওয়া যাবে এমনটা কিন্তু নয়। অন্যান্য সব সরকারি প্রকল্পের মতো এক্ষেত্রেও উপভোক্তা নির্বাচনের বেশ কিছু শর্ত রয়েছে।
দিল্লি লক্ষ্মী যোজনার যোগ্যতা
১) আবেদনকারী মহিলার বয়স ২১ বছর থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
২) প্রত্যেক পরিবারের একজন মহিলাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। কোনও পরিবারে একাধিক মহিলা এই প্রকল্পে টাকা পাওয়ার যোগ্য হলে বয়সে প্রবীণ মহিলাকে যোগ্য বলে বিবেচনা করা হবে।
৩) পেনশনভোগী মহিলারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।
৪) আবেদনকারীর পরিবারের মোট বার্ষিক আয় ২.৫ লক্ষের কম হতে হবে।
৫) আবেদনকারীর পরিবারের কোনও ক্রিমিনাল রেকর্ড থাকলে নাম বাতিল হবে।
৬) আবেদনকারীকে অন্তত ১০ বছর দিল্লির বাসিন্দা হিসেবে থাকতে হবে। এই মর্মে একটি সেলফ ডিক্লারেশন দিতে হবে।
৭) সরকারি কর্মী, আয়কর প্রদানকারীরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।
৮) চারচাকা গাড়ি থাকলে সুবিধা মিলবে না।

দিল্লি লক্ষ্মী যোজনায় আবেদন পদ্ধতি
অনলাইনে বাড়ি বসে এই প্রকল্পে আবেদন করা যাবে। এর জন্য প্রথমে https://dly.delhi.gov.in/ -এই সরকারি ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এরপর ‘অ্যাপ্লাই’ বিকল্পে ক্লিক করে ধাপে ধাপে আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দিয়ে দিতে হবে। এই ওয়েবসাইট থেকেই আবেদন ট্র্যাকও করা যাবে।
দিল্লি লক্ষ্মী যোজনায় মহিলাদের মাসে মাসে ২৫০০ টাকা করে দেওয়া হলেও তাঁরা পুরো টাকা হাতে পাবেন না। প্রতি মাসে ১০০০ টাকা করে তাঁরা তুলতে পারবেন। বাকি ১৫০০ টাকা রেকারিং ডিপোজিটে থাকবে। তিন বছরের আগে এই অর্থ তোলা যাবে না।













