বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে রেশন (Ration) বণ্টন ব্যবস্থায় বড় বদল এসেছে। পুরনো পদ্ধতির জায়গায় স্মার্ট পিডিএস পদ্ধতিতে (Smart PDS System) রেশন সরবরাহ শুরু হয়েছে। চলতি আগস্ট মাস থেকে চালু হয়েছে এই পদ্ধতি। এরপর থেকে অনেকেরই প্রশ্ন, আঙুলের ছাপ নাকি চোখের মণি স্ক্যান, বর্তমানে রেশন দোকানে কীভাবে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হচ্ছে? এবার এই নিয়ে সামনে এল বড় আপডেট।
রেশন বণ্টনে নতুন পদ্ধতি চালু | (Ration)
রেশন সরবরাহের আধুনিক ও ডিজিটাল পদ্ধতি হল স্মার্ট পিডিএস। এর মাধ্যমে রিয়েল টাইমে রেশনে চাল-গম সরবরাহ, রেশন কার্ড ও রেশন বণ্টনের উপর সঠিক নজরদারি চালানো যায়। পাশাপাশি স্মার্ট পিডিএস পোর্টালের মাধ্যমে রেশন কার্ডের তথ্য, রেশনের সামগ্রিক প্রক্রিয়া অনলাইনে ট্র্যাক করা যায় এবং ভুয়ো ও জাল রেশন কার্ডও ট্র্যাক সম্ভব হয়।
আরও পড়ুনঃ আরও স্বস্তিতে অভিষেক! বিদেশযাত্রার সুপ্রিম-অনুমতির পর রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়াল হাইকোর্ট
রাজ্যে স্মার্ট পিডিএস পদ্ধতি চালু হওয়ার আগে আঙুলের ছাপ অথবা বায়োমেট্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে রেশন গ্রাহকদের বিনামূল্যে/ স্বল্প মূল্যে খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হত। আগে ই-পস মেশিনে গ্রাহকের আঙুলের ছাপ নিয়ে আধার কার্ডের তথ্য যাচাই করা হত। কোনও কারণে আঙুলের ছাপ কাজ না করলে চোখের মণি স্ক্যান করা হত।
তবে স্মার্ট পিডিএস পদ্ধতিতে প্রথমেই রেশন গ্রাহকের চোখের মণি স্ক্যান করা হচ্ছে। কোনও কারণে তা ব্যর্থ হলে আঙুলের ছাপ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া জানা গিয়েছে, আগে আঙুলের ছাপ বা চোখের মণি স্ক্যান সম্ভব না হলে গ্রাহকের আধার লিঙ্কড মোবাইলে আসা ওটিপি ব্যবহার করেও খাদ্যসামগ্রী দেওয়া যেত।

এদিকে অভিযোগ উঠছে, স্মার্ট পিডিএস পদ্ধতিতে প্রথমে চোখের স্ক্যান, সেটা কাজ না করলে আঙুলের ছাপ নিতে গিয়ে অনেকটা সময় যাচ্ছে। পাশাপাশি সার্ভার ডাউনের কারণেও কিছু ক্ষেত্রে রেশন বণ্টনে সমস্যা দেখা দিচ্ছে বলে অভিযোগ।
এছাড়া জানা গিয়েছে, বর্তমানে কিছু কিছু জায়গায় সার্ভারের সমস্যার কারণে রেশন বণ্টনে সমস্যা হলেও তা দ্রুত মিটে যাবে। তবে আধুনিক ও ডিজিটাল এই ব্যবস্থা চালু হওয়ায় একদিকে যেমন রেশন দুর্নীতি ও বণ্টনে নজরদারি চালানো সম্ভব হবে, তেমনই প্রকৃত ও যোগ্য উপভোক্তারাই খাদ্যসামগ্রী পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।













