জবরদস্তি জমি অধিগ্রহণ হবে না! ‘লাল-সবুজ’ জামান অতীত, বাংলার নয়া শিল্পনীতি ঘোষণা শুভেন্দুর

Published on:

Published on:

CM Suvendu Adhikari states No force for Land Acquisition in Industry Land Acquisition
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ২০২৬ সালের ৯ই আগস্ট বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি রাজ্যের এই গুরুদায়িত্ব কাঁধে নেওয়ার পর আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার ১৮ ই আগস্ট রাজ্যে বিজেপি সরকারের (BJP Government) ১০০ দিন সম্পূর্ণ হতে চলেছে। এই প্রেক্ষাপটে সোমবার পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে শিল্পায়নের নতুন দিশা দেখালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

পুরুলিয়ায় পরিবেশবান্ধব গ্রিনফিল্ড শিল্প প্রকল্পের শিলান্যাস মুখ্যমন্ত্রীর

সোমবার পুরুলিয়ায় ‘অমিত মেটালিকস‘-এর পরিবেশবান্ধব গ্রিনফিল্ড শিল্প প্রকল্পের শিলান্যাস করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী তিনি দাবী করেছেন,আগামী দিনে পুরুলিয়ার মতো ‘অনগ্রসর’ এলাকায় এই প্রকল্পের জন্য মোট ৪,০০০ কোটি টাকার বিশাল বিনিয়োগ করা হবে। আর এই প্রকল্পের হাত ধরেই প্রায় ৫০০০ মানুষের কর্মসংস্থান হতে চলেছে বলে আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী।

CM Suvendu Adhikari

পশ্চিমবঙ্গে বিপুল শিল্পোন্নয়নের ব্যাপারে বরাবরই আশাবাদী শুভেন্দু অধিকারী। আর এবার এই ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শকে পাথেয় করেই নতুন অঙ্গীকার করার কথা বলেছেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ ‘৩১শে মার্চের মধ্যেই স্বচ্ছতার সাথে ১ লক্ষ নিয়োগ’, পুরুলিয়া থেকে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

মুখ্যমন্ত্রীর দাবী ‘অমিত মেটালিকস’ এই পরিবেশবান্ধব গ্রিনফিল্ড শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরকে শিল্পনগরী হিসেবে ভিলাই ও বোকারোর মতো জায়গার পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার টার্গেট নিয়েছে। এমনকী প্রস্তাবিত এই প্রকল্পটিকে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম গ্রিনফিল্ড প্রকল্প হিসেবেও উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জানা যাচ্ছে এই প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন এলাকায় প্রায় এক লক্ষ গাছ লাগানো হবে। এছড়াও ওই সংস্থার তরফে স্কিল ট্রেনিং সেন্টার, অটোমোবাইল ক্ষেত্র এবং সিএসআর কার্যক্রমের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।

এরপরই এদিন জমি অধিগ্রহণ প্রসঙ্গে প্রাক্তন রাজ্য সরকারের তুমুল সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেছেন, ‘৩৪ বছর বন্দুক দেখিয়ে জমি নেওয়া হয়েছে। আবার ১৫ বছর, সরকার শিল্পপতিকে বলেছে জমি দিতে পারব না, আপনারাই কিনুন। কিন্তু আমরা জোর করে জমি অধিগ্রহণ করা নয়, জমি কেনার নীতি চালু করেছি। আমরা জমি দেব, তবে তা হবে নীতি মেনেই। মুখ্যমন্ত্রী এদিন পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, ‘শিল্পের জন্য জমির প্রয়োজন হলে সরকার সেই জমির ব্যবস্থা করে দেবে। কিন্তু স্থানীয় মানুষের স্বার্থকেও গুরুত্ব দিতে হবে।’