বাংলা হান্ট ডেস্ক: সম্প্রতি দিল্লীতে সংগঠিত ছাত্র আন্দোলনের চাপে ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তারপরেই নতুন করে হওয়া পেতে শুরু করেছিল ঝাড়খণ্ডের আরও এক ছাত্র আন্দোলন (Jharkhand Student Protest)। এবার সেই আন্দোলনেও বড় সাফল্য পেল GEN Z-র ছাত্রসমাজ। দীর্ঘ ২৪ দিনের আন্দোলন শেষে ছাত্রদের দাবী মেনে নিল ঝাড়খণ্ডের হেমন্ত সোরেন সরকার। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এপ্রসঙ্গে আজ প্রতিক্রিয়া জনিয়েছেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।
২৪ দিনের আন্দোলন শেষে ছাত্রদের দাবী মেনে নিল ঝাড়খন্ড সরকার
ঝাড়খণ্ড সরকারের উদ্দেশ্যে দিলীপ ঘোষের পাল্টা প্রশ্ন, ‘ঝাড়খণ্ড সরকারের এত সময় কেন লাগলো? দিল্লিতে তো আন্দোলন শুরু হওয়ার সাথে সাথেই সরকার আলোচনা শুরু করেছিল। মন্ত্রীরা গিয়ে দেখা করেছিলেন। বারবার চর্চায় উঠে এসেছে।’
বিজেপি নেতার দাবী, ‘আন্দোলনটাকেই মানা হচ্ছিল না। এখানকার শিক্ষার্থীরা যে ডিমান্ড করছিলেন সেটা নিয়ে ভাবতেই রাজি ছিল না সরকার। যদি প্রথমেই আলোচনা করে নিতেন তাহলে এত সমস্যা হতো না। এত বড় আন্দোলন চললে সবারই সমস্যা হয়। বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়ে, ওদের উপরে লাঠি টাচ করতে হয়েছে। কেন এসব ড্রামা করতে হয়েছে? সরকারের আত্মবিশ্বাস কম আছে নাকি? ভালো হয়েছে ওনারা যা কথা দিয়েছিলেন তা পূরণ করেছেন। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যদি কেউ খেলা করেন তাহলে তারা তো আন্দোলন করবেন।’
আরও পড়ুনঃ ‘ঠিকা বিরোধী দলনেতা’, আদালতের নির্দেশ জারি হতেই তীব্র কটাক্ষ কুণাল ঘোষের
প্রসঙ্গত কংগ্রেসের তরফে রাহুল গান্ধী ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন, উনি বলেছিলেন বাচ্চাদের সাথে বসে কথা বলে সমস্যার সমাধান করতে। এপ্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, ‘ওনার তো এটা নিজে এসে বলা উচিত ছিল। হয় শিক্ষার্থীদের এসে বলা উচিত ছিল আমরা আছি তোমাদের সাথে চিন্তা করো না। নইলে মুখ্যমন্ত্রীকে বলা উচিত ছিল ভাই আপনি মেনে নিন ওনাদের সাথে কথা বলুন। চিঠিপত্র লেখেন, আবার ওখানে গিয়ে ডায়লগ বাজি করেন দুই প্রকার কেন?’
কীর্তি আজাদ নিরাপত্তার জন্য নিজের সাথে রিভলভার রাখতে চেয়েছেন। এপ্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে একেবারে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে চাঁচাছোলা ভাষায় দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ‘ রিভলবার রাখবেন আর উনি রিভলবার নিয়ে কোথায় যাবেন? ডিমের ভয়ে আপনি তিন চার মাস হয়ে গিয়েছে নিজের নির্বাচন কেন্দ্র বর্ধমানে আসেননি। আপনি বন্দুক চাইছেন ?’
এরপরেই হুঁশিয়ারি দিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘এখানকার মানুষকে, বাংলার মানুষকে বন্দুক দেখাবেন না। এখানকার মানুষ ছোট থেকেই বন্দুক নিয়ে খেলে। ওনার পরিবারে কেউ কোনদিন বন্দুক দেখেছেন কিংবা চালিয়েছেন কিনা জানি না। কিন্তু এখানকার গ্রামে গ্রামে বন্দুক আছে। বন্দুক নিয়ে কথা বলবেন না। ডিম তো আপনাদের একবার খেতেই হবে, এখন খারাপ ডিম খাবেন, নাকি ভালো ডিম সেটা ঠিক করুন।’













