বকেয়া DA মেটানো নিয়ে সরকারি দাবি সঠিক নয়! এবার বিরাট পদক্ষেপ শিক্ষক সংগঠনের

Published on:

Published on:

Teachers union gives letter to Chief Secretary over Dearness Allowance DA arrear issue
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে বাংলার রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ (DA) মামলার শুনানি হয়েছে। সেখানে রাজ্য সরকারের তরফে দাবি করা হয়, ইতিমধ্যেই বকেয়া মহার্ঘ ভাতার (Dearness Allowance) ৬৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবার সেই বক্তব্যে আপত্তি জানিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়ালকে চিঠি দিল শিক্ষক সংগঠন বেঙ্গল টিচার্স অ্যান্ড এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন।

বকেয়া ডিএ ইস্যুতে বড় পদক্ষেপ শিক্ষক সংগঠনের | (Dearness Allowance)

সংশ্লিষ্ট শিক্ষক সংগঠনের দাবি, রাজ্য সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের একাংশ বকেয়া ডিএ ও ডিআরের কিছু অংশ পেয়েছেন। তবে সিংহভাগ কর্মী এখনও কোনও টাকাই পাননি। সেই সংখ্যা প্রায় ৭০ শতাংশ বলে দাবি তাঁদের।

আরও পড়ুনঃ মহাবিপাকে মহুয়া! তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা, হঠাৎ কী হল?

বেঙ্গল টিচার্স অ্যান্ড এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের দাবি, সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের তরফে যে তথ্য পেশ করা হয়েছে, তা বাস্তবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বকেয়া মহার্ঘ ভাতা ইস্যুতে যাতে কোনও প্রকার বিভ্রান্তি না থাকে, সেই কারণে আদালতের সামনে প্রকৃত সত্য তুলে ধরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করেছে তাঁরা।

বেঙ্গল টিচার্স অ্যান্ড এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের তরফে স্বপন মণ্ডলের সই করা ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে স্পষ্ট বলা হয়েছে, রোপা ২০০৯ অনুযায়ী রাজ্যের অধীনস্থ সকল কর্মীকে বকেয়া ডিএ দিতে হবে। তবে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়িত করতে রাজ্য সরকার যে অবস্থান নিয়েছে ও সরকারি কর্মীরা যে পরিমাণ টাকা পেয়েছেন, তাতে বড় পার্থক্য রয়েছে। সেই কারণে হিসাবের ভিত্তি স্পষ্ট করা অত্যন্ত জরুরি।

এই বামপন্থী শিক্ষক সংগঠনের দাবি, কারা কত শতাংশ বকেয়া ডিএ পেয়েছেন, সেটার পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশিত হলে বাস্তব পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে। মুখ্যসচিবের কাছে তাঁদের আবেদন, অবিলম্বে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের আইনজীবীর বক্তব্য সংশোধন করে প্রকৃত তথ্য পেশ করা হোক। সেই সঙ্গেই যত দ্রুত সম্ভব বকেয়া মহার্ঘ মেটানোর বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

Dearness Allowance(270)

গতকাল রাজ্যের তরফে সুপ্রিম কোর্টে বকেয়া ডিএর ৬৫ শতাংশ মিটিয়ে দেওয়ার দাবি করা হতেই বিরোধিতা করেছিলেন সরকারি কর্মীদের একাংশ। তাঁদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম ও করুণা নন্দী বলেন, এখনও অনেক সরকারি কর্মী এই টাকা পাননি। এরপর শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, যেসব সরকারি কর্মীরা বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাননি বলে দাবি করছেন, তাঁদের প্রতিনিধিদের নাম আদালতে জমা করা হোক। এবার এই ইস্যুতেই রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিল একটি শিক্ষক সংগঠন।