২৬ হাজারের চাকরি নিয়ে ফের আইনি জট! সুপ্রিম কোর্টে SSC, চাওয়া হল বাড়তি সময়

Published on:

Published on:

SSC moves Supreme Court again over 26,000 jobs.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ২৬ হাজার চাকরিহারার ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা। ওবিসি সংরক্ষণ নীতির পরিবর্তন গোটা প্রক্রিয়াকে ফের থামিয়ে দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়োগ শেষ করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হওয়ায় এবার সময় বাড়ানোর আবেদন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC)ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।

২৬ হাজার চাকরি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ এসএসসি (SSC)

বিষয়টি শুধু চাকরিহারাদের নিয়োগেই সীমাবদ্ধ নয়। রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর ঘাটতিও এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। ৩১ অগস্টের পর ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে বহু স্কুলে নতুন করে শূন্যপদ তৈরি হতে পারে। সেই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগেই বিকল্প ব্যবস্থা করতে চাইছে কমিশন।

এসএসসির তরফে শীর্ষ আদালতের কাছে আরও সময় চাওয়া হয়েছে। জানা যাচ্ছে, নিয়োগের বাকি কাজ শেষ করতে প্রায় ৮ থেকে ৯ মাস সময় প্রয়োজন বলে সুপ্রিম কোর্টকে জানানো হয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালাও আগে জানিয়েছিলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সময়সীমা বাড়ানোর জন্য সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি চাওয়া হবে।

রাজ্যের পুরনো ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত নিয়ম বাতিল হওয়ার পর নতুন নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে কমিশন। ফলে ইতিমধ্যে শুরু হয়ে যাওয়া নিয়োগ সংক্রান্ত কিছু কাজ মাঝপথে স্থগিত রাখতে হয়েছে।

এর আগে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে অগস্টের মধ্যেই নিয়োগ শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেই অনুযায়ী প্রার্থীদের নথিপত্র যাচাই থেকে শুরু করে কাউন্সেলিং চালু হয়। সমস্যা তৈরি হয়েছে তাঁদের নিয়েও, যাঁরা ইতিমধ্যেই সুপারিশপত্র হাতে পেয়েছেন। নতুন সংরক্ষণ নীতির প্রভাব তাঁদের নিয়োগে পড়বে কি না, কীভাবে সংশোধিত নিয়ম কার্যকর করা হবে—এসব বিষয় এখনও স্পষ্ট নয়। এই কারণেই আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছে স্কুল সার্ভিস কমিশন।

SSC moves Supreme Court again over 26,000 jobs.

আরও পড়ুন : অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিতকে গ্রেফতারের দাবি! সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল শুনে বড় মন্তব্য বিচারপতির

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, তাঁদের চাকরি ৩১ অগস্ট পর্যন্ত বহাল থাকার কথা। তার পর নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ না হলে স্কুলগুলিতে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর ঘাটতি আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই শুধু নিয়োগের সময় বাড়ানো নয়, চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টিও আদালতের সামনে তুলেছে কমিশন। এবার আদালতের সিদ্ধান্ত শুধু ২৬ হাজার চাকরিহারার জন্য নয়, রাজ্যের স্কুলগুলিতে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর ঘাটতি সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।