বাংলা হান্ট ডেস্ক: শুক্রবার শিলিগুড়িতে (Siliguri) দেশের নতুন ফৌজদারি আইন (New Criminal Laws) সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সহজ ও স্পষ্ট ভাষায় সচেতন করলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন শুরুতেই তিনি বললেন, ‘আমরা হিন্দি সিনেমা নাটকে দেখেছি তারিখের পরে তারিখ তারিখের পরে তারিখ দেওয়া হয়ে থাকে। হয় অভিযোগকারী ঈশ্বরের কাছে পৌঁছে যেতেন, নইলে যে অভিযুক্ত সেই ঈশ্বরের কাছে পৌঁছে যেত, তারপরে গিয়ে ন্যায় বিচার হতো।’
নতুন ফৌজদারি আইন সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ
ন্যায় সংহিতায় প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কেতিনিবললেন, ‘আমরা নতুন ন্যায় সংহিতায় প্রযুক্তির ব্যবহার করেছি। যাতে পুলিশ তদন্তের ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রযুক্তিভিত্তিক তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করতে পারে। তার ফলে বিচারের গতি বাড়বে। পুলিশ প্রসিকিউশন, ন্যায় ব্যবস্থায় যাতে সময় কম লাগে তার আইনি ব্যবস্থা আমরা করেছি।’
বাংলার মানুষকে আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এদিন বললেন, ‘আগামী দু বছরের মধ্যে রাজ্যে কোনো ক্ষেত্রে এফআইআর দায়ের করা হলে তিন বছরের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে পর্যন্ত বিচার প্রক্রিয়া নিষ্পত্তি করার কাজ করবে বেঙ্গল পুলিশ।’
আরও পড়ুনঃ ‘পরিকল্পিত চক্রান্ত! ABVP এই কাজ করতে পারে না’, সাংবাদিকদের সাফ জানালেন শমীক ভট্টাচার্য
একইসাথে এদিন জ়িরো এফআইআর এবং ই-এফআইআর ব্যবস্থার সুফলের কথা তুলে ধরে অমিত শাহ এদিন বললেন, ‘জ়িরো এফআইআর এবং ই-এফআইআর সবচেয়ে বড় সুবিধা পাবেন শিক্ষা ব্যবস্থায় যে সমস্ত বাচ্চারা, বোনেরা পড়াশুনা করছেন তারা । ব্যাংকিং জালিয়াতির ক্ষেত্রে মিলবে, এছাড়াও বাংলার বাসিন্দা যেসমস্ত মানুষ বাংলার বাইরে যারা কাজ করেন তারাও যদি অভিযোগ জানান তাহলে তারাও এই সুবিধা পাবেন। তা সে বিহার হোক কিংবা গুজরাট।’
একইসাথে রাজ্যের নারী এবং শিশু সুরক্ষার উপর জোর দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। নতুন আইনে তিন ‘T’ এর উল্লেখ করে তিনি বললেন, ‘তিনটি টি’তেই বদলাতে চলেছে ন্যায় ব্যবস্থা। এই তিনটি টি হল টেকনোলজি, ট্রান্সপারেন্সি এবং টাইমলাইন।’
অমিত শাহ এদিন দাবী করেছেন, ‘বাংলায় দুই ধরনের কাজ হচ্ছে। প্রথমত ন্যায় ব্যবস্থা বদলাচ্ছে, দ্বিতীয়ত সরকার টোল ট্যাক্স, সিন্ডিকেট, কাটমানি, ভ্রাষ্টাচার এবং জনগণের সাথেও রয়েছে। যখন কমিউনিস্ট শাসন করতো তখন ক্যাডাররা ছিল, যখন তৃণমূল শাসন করতো তখনও গুন্ডারাজ ছিল। আর শুভেন্দু অধিকারী সরকার এসেছেন তারপরে বাংলায় আইনের রাজত্ব প্রতিস্থাপিত হয়ে গিয়েছে। এবার বাংলা আইনের রাস্তায় এগিয়ে চলবে।’













