মেট্রোর কাজে গ্রিন সিগন্যাল! ৭ দিনের মধ্যে মার্কেট খালি করতে হবে, নির্দেশ হাইকোর্টের

Published on:

Published on:

Calcutta High Court gives green signal to Kolkata Metro work in Bidhan Market area
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ জোকা-বিবাদী বাগ মেট্রো প্রকল্পের কাজে সাময়িক বাধা তৈরি হয়েছিল। সেই বাধা কাটিয়ে মেট্রোর (Kolkata Metro) কাজে গ্রিন সিগন্যাল দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আগামী সাতদিনের মধ্যে ধর্মতলার বিধানচন্দ্র রায় মার্কেট তথা বিধান মার্কেট খালি করে মেট্রোর কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি পুনর্বাসন নিয়েও বড় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মেট্রোর কাজে গ্রিন সিগন্যাল দিল হাইকোর্ট | (Calcutta High Court)

সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের বেঞ্চ জানায়, বিধান মার্কেট এলাকায় জোকা-বিবাদী বাগ মেট্রো প্রকল্পের কাজ শুরু করা যাবে। সাতদিনের মধ্যে কাজ শুরুর করার কথা বলেছে আদালত। পাশাপাশি সেখানকার দোকানদারদের আবেদনকেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ‘যোগ্য-অযোগ্য বিজেপি ঠিক করবে?’ অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে এবার বড় প্রশ্ন তুললেন মমতা

এদিন বিচারপতি চট্টোপাধ্যায়ের বেঞ্চ জানায়, আপাতত বিধান মার্কেট এলাকা থেকে দোকানদারদের অস্থায়ীভাবে অন্যত্র সরানো যাবে। তবে মেট্রো প্রকল্পের জন্য যে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা রয়েছে, তাঁদের লিখিতভাবে জানাতে হবে যে কাজ শেষ হওয়ার পর ওই দোকানদারদের ফের পুরনো জায়গায় ফিরিয়ে আনা হবে।

সেই সঙ্গেই ব্যবসায়ীদের যে নতুন জায়গায় সরানো হবে, সেখানে যথাযথ নিরাপত্তা ও নূন্যতম পরিষেবা রাখতে হবে। সেখানে বিদ্যুৎ, জল, শৌচাগারের মতো প্রয়োজনীয় পরিষেবা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার পরেই দোকানদারদের সরানোর প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে।

Calcutta High Court

সম্প্রতি জোকা-বিবাদী বাগ মেট্রো প্রকল্পের কাজের জন্য বিধান মার্কেটের ৫০০-র বেশি ব্যবসায়ীকে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এরপর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন দোকানদারেরা। তাঁদের দাবি ছিল, প্রতিরক্ষা দফতরের জমিতে ১৯৫৪ সালে এই মার্কেট তৈরি হয়। এখন এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি পাইকারি বাজার। অভিযোগ, কোনও প্রকার লিখিত প্রতিশ্রুতি ছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও নির্মাণ সংস্থা তাঁদের স্থানান্তর করতে চাইছে।

এদিন এই মামলার শুনানিতে সাতদিনের মধ্যে বিধান মার্কেট খালি করে মেট্রোর কাজ শুরুর নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। তবে দোকানদারদের পুনর্বাসন ও তাঁদের আবেদনকেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছে বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের বেঞ্চ।