বাংলা ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের ১০০% কাজ দেবে ‘রোজগার গ্যারান্টি কার্ড’, জারি হল নির্দেশিকা

Published on:

Published on:

Grameen Rojgar Guaranty Card for Migrant Workers who returns to West Bengal
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে ফিরে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের (Migrant Workers) রোজগার গ্যারান্টি কার্ড দিতে নবান্ন নিয়েছে বড় পদক্ষেপ। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর ২২ জেলায় বিশেষ অভিযান চালু করেছে। লক্ষ্য একটাই, চিহ্নিত পরিযায়ী শ্রমিক পরিবারগুলিকে গ্রামীণ রোজগার গ্যারান্টি কার্ডের (Grameen Rojgar Guaranty Card) আওতায় আনা। এমনটাই জানানো হয়েছে সম্প্রতি প্রকাশিত হওয়া একটি নির্দেশিকায়।

পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য Grameen Rojgar Guaranty Card

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে চিহ্নিত পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা ২২ লক্ষ ২৪ হাজার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুর্শিদাবাদে, সংখ্যাটা প্রায় ৩,৮৬,১৯১ জন। এরপর দ্বিতীয় শানে রয়েছে মালদহ (২,৮৬,৩২৯ জন) ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে কোচবিহার (১,৪৪,৯১৬ জন)। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, শ্রম দফতরের তথ্য ধরে প্রতিটি জেলায় অভিযান চালাতে হবে। যাদের কার্ড নেই, তাদের দ্রুত দিতে হবে। তবে আগে দেওয়া কার্ড যাচাই করতে হবে। একইসাথে ১০০% পরিবার যাতে এই কার্ডের আওতায় আসে সেটাও নজর রাখতে হবে।

নতুন ভিবি-জি র্যাম জি প্রকল্পে প্রতিটি যোগ্য গ্রামীণ পরিবার বছরে ১২৫ দিনের মজুরি-ভিত্তিক কাজ পায়। দৈনিক ন্যূনতম মজুরি ৩০০ টাকা। কার্ড পেলে পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরা গ্রাম পঞ্চায়েতে কাজ দাবি করতে পারবেন। ১৫ দিনের মধ্যে কাজ না পেলে বেকার ভাতা মিলবে। এতে অভিবাসনের চাপ কমবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।

আরও পড়ুনঃ দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী, এবার ফুটপাতে দুধ গরম করা সেই মহিলার মাথায় ছাদ দেবে KMC

জেলা প্রশাসনকে বলা হয়েছে, শুধু কার্ড দিলেই চলবে না। যোগ্য সদস্যরা যেন সত্যিই কাজ পান, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। এই পদক্ষেপ ফিরে আসা শ্রমিক পরিবারগুলিকে স্থানীয়ভাবে আয়ের সুযোগ করে দেবে। এমনকি প্রাপ্তবয়স্করা যাতে কাজের দাবি জানাতে পারেন ও দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কাজ পান সেটা নিশ্চিত করার জন্য দায়িত্ব নিতে হবে উক্ত জেলা প্রশাসনকে।

প্রসঙ্গত, রাজ্যের মোট ২২ জেলায় থাকা ২২ লক্ষ ২৪ হাজার ৬০ জন পরিযায়ী শ্রমিকদের সকলে যদি এই প্রকল্পে ১০০% কাজ পান তাহলে সত্যিই আর্থিকভাবে কিছুটা স্বচ্ছল হতে পারবেন বলেই আশা করা হচ্ছে। তবে বাস্তবে সেটা কত শতাংশ পূরণ হয় সেটা সময় পেরোলেই বোঝা যাবে।