বাংলা হান্ট ডেস্ক: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে, উত্তরবঙ্গের পাহাড়ের সম্পর্ক বহুদিনের। কারণ উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং (Darjeeling) থেকে শুরু করে কালিংপং এর গৌরীপুর হাউস পাহাড়ের প্রতিটি কোনায় জড়িয়ে রয়েছে কবিগুরুর একাধিক স্মৃতি। আর এবার সেই স্মৃতির পাতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত নাটক মুক্তিধারা কে বেছে নিয়েছে ডি এইচআর।
পুজোয় পাগলাঝোড়ায় টয়ট্রেনের নয়া জয়রাইড (Darjeeling)
নতুন এই পরিষেবা সম্পর্কে ডিএইচআরের ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরী জানান, দুর্গাপুজো দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) পাহাড় পর্যটনের অন্যতম প্রধান মরশুম হয়ে ওঠে। পাশাপাশি এই সময়ে দেশ-বিদেশের হাজার হাজার মানুষ দার্জিলিংয়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন।

আরও পড়ুন: ঢ্যাঁড়শের হড়হড়ে ভাব দূর হবে সহজেই! রান্নার সময় মেনে চলুন ৫ টোটকা
এছাড়াও কার্শিয়াংয়ের বিখ্যাত পাগলাঝোড়া ঝর্না । সেই ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনকে অটুট রাখতে এবং পাগলাঝোড়াকে নতুন করে পর্যটকদের সামনে তুলে ধরতেই বিশেষ এই জয়রাইডের নামকরণ করা হয়েছে মুক্তধারা জয়রাইড।
অন্যদিকে রবি ঠাকুর ও পাহাড়ের সম্পর্ককে জীবন্ত রাখাই তাঁদের মূল উদ্দেশ্য। এর ফলে পর্যটকদের টয়ট্রেনের প্রতি আকর্ষণ আরও বাড়বে এবং পুজোয় বিপুল পর্যটক পাহাড়ে আসবেন বলে তাঁরা অত্যন্ত আশাবাদী। পাশাপাশি স্টিম ইঞ্জিনের নস্টালজিয়ার পাশাপাশি আধুনিক ডিজেল চালিত ট্রেনের মেলবন্ধন রাখা হয়েছে, যাতে সব বয়সের মানুষই এই হেরিটেজ যাত্রার সাক্ষী হতে পারেন ।
এমনকি ডিএইচআর-এর প্রকাশিত নির্দেশিকা অনুযায়ী, দার্জিলিং (Darjeeling) থেকে ঘুম স্টেশন পর্যন্ত ডিজেল ইঞ্জিনে পরিচালিত হবে ওয়ান-ওয়ে বা একমুখী জয়রাইড। দার্জিলিং থেকে সকাল ৯:২০ মিনিট এবং ১১:২৫ মিনিটে ট্রেন দুটি ঘুমের উদ্দেশে যাত্রা করবে। আবার ঘুম থেকে দার্জিলিংয়ের উদ্দেশে ফিরতি ট্রেন মিলবে সকাল ১০:২৫ মিনিট এবং দুপুর ১২:৩০ মিনিটে।













