বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) টাকা পাইয়ে দেওয়ার টপ ফেলল প্রতারকেরা। এমন ঘটনা সম্মুখীন হয়েছে জঙ্গিপুরে। জানা যায় জঙ্গিপুর পৌরসভার কর্মচারী পরিচয় দিয়ে ফোন করে নাগারে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ উঠল এক প্রতারণে চক্রের বিরুদ্ধে। কয়েক হাজার টাকা খুইয়ে সাইবার থানায় দারস্ত হয়েছেন একাধিক প্রতারিত গৃহবধূ।
অন্নপূর্ণার নামে প্রতারণা! থানায় অভিযোগ গৃহবধূদের (Annapurna Yojana)
সপ্তাহখানেক আগে অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) বিষয়টি প্রথম প্রকাশে এলে সেই বিষয়টি থামার নাম নেয় না। প্রতারকের লা লাগাতার নতুন নতুন ভাবে উপভোক্তাদের ফোন করে ফাঁদে ফেলে চলেন। পাশাপাশি এই বিষয়টি নাগরিকদের সামনে আসার সচেতন ও সতর্ক করেছেন পুর কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন: রেলযাত্রীদের সুখবর! পুজোর আগেই LHB রেক পাচ্ছে তিস্তা-তোর্সা এক্সপ্রেস
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের নিশানা করেছেন দুষ্কৃতীরা। পাশাপাশি পুরসভার কর্মচারী ভরত হরিজনের নাম বানিয়ে ফোন করা হচ্ছে উপভোক্তাদের। একই সঙ্গে ব্যাংক বিবরণী ও ফোনে আসা ওটিপি হাতানোর কৌশলের ছকেই গায়েব করে দাওয়া হচ্ছে অ্যাকাউন্টের সমস্ত জমানো টাকা।
পাশাপাশি প্রতারণার শিকার হয়েছেন ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাবিয়া বিবি। তার ব্যাংকের থেকে উধাও হয়েছে প্রায় ২৯ হাজার ৯০০ টাকা। এই বিষয়ে তিনি জানান, দুমাসের অন্নপূর্ণা ৬০০০ টাকা পেয়েছি। তাছাড়াও আরও বেশ কিছু টাকা জমানো ছিল। প্রতারকদের কথা মত এসব করতে গিয়েই দেখি সব টাকা নিয়ে নিয়েছেন সেই প্রতারকেরা।
আরও এক মহিলা তনুশ্রী নামে গৃহবধূর হাতছাড়া হয়েছে ৩০০০ টাকা। তিনি অন্নপূর্ণার এক মাসের টাকা পেয়েছিলেন। এই বিষয়ে পিছিয়ে নেই 15 নম্বর ওয়ার্ড। সেখানের বাসিন্দা মমতা সরকার নন্দী খুইয়েছেন আট হাজার টাকা। এই বিষয়টি বুঝতে পেরেই মাথায় হাত পড়েছে গৃহবধূদের। পাশাপাশি খোয়া যাওয়া টাকার অংক ইতিমধ্যে ৪০ হাজার পেরিয়েছে।
এই বিষয়ে পুরো কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই ধরনের কোন ফোন পুরসভা থেকে করা হচ্ছে না। পাশাপাশি সরকারি কোনো প্রকল্পের টাকার জন্য ওটিপি বা লিংক পাঠানো হয় না। অজানা কোন নম্বর থেকে ফোন এলে নিজের ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট নাম্বার অথবা ওটিপি কোনভাবেই শেয়ার করবেন না (Annapurna Yojana)।













