বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন (West Bengal Tourism) নিয়ে এবার নতুন ভাবনা রাজ্যের। এর জন্য পর্যটন দপ্তরকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলতে একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। লক্ষ্য, সারা বছর পর্যটন ব্যবসা চালানো। নতুন লোগো থেকে শুরু করে বিভিন্ন উৎসব, নতুন পর্যটন সার্কিট এবং বড় হোটেল চেইন আনার পরিকল্পনাও রয়েছে। শিলিগুড়িতে এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন পর্যটনমন্ত্রী শংকর ঘোষ।
পশ্চিমবঙ্গের পর্যটনে (West Bengal Tourism) আসছে নতুন লোগো
পর্যটন দপ্তরের (West Bengal Tourism) চেহারাতেও বদল আনা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সাইনবোর্ড বদলে দেওয়া হয়েছে। শিলিগুড়িতে পর্যটন দপ্তরের নতুন সাইনবোর্ডে গেরুয়া রং ব্যবহার করা হয়েছে। মন্ত্রী শংকর ঘোষ বলেন, আগে পর্যটন দপ্তরে ধুলো আর মাকড়সার জাল পড়ে থাকত। এবার সেই দপ্তরকে রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ‘লিড ডিপার্টমেন্ট’ হিসেবে তৈরি করার কাজ চলছে।
আগামী ৪ সেপ্টেম্বর পর্যটন দপ্তরের (West Bengal Tourism) নতুন লোগো প্রকাশ করা হবে। ১৭ তারিখে হবে বেলুন ও ঘুড়ি উৎসব। দার্জিলিং, কলকাতা এবং শিলিগুড়িতে টি-ফেস্টিভাল করার পরিকল্পনা রয়েছে। শীতকালে হবে কমলালেবু উৎসব। সান্দাকফুকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে ল্যান্ড রোভার এবং ভিন্টেজ কার নিয়েও বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছে।
৩৬৫ দিনই পর্যটনের লক্ষ্য
মন্ত্রী জানিয়েছেন, পর্যটনকে শুধু পর্যটনের মরশুমে সীমাবদ্ধ রাখতে চাইছে না সরকার। সারা বছর যাতে পর্যটকরা বাংলার বিভিন্ন জায়গায় আসেন, সেই ব্যবস্থা করা হবে। পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সংস্থার সাহায্য নিয়েই এই কাজ হবে।
শংকর ঘোষের দাবি, বাংলার পর্যটনের (West Bengal Tourism) সম্ভাবনা এখনও পুরোপুরি কাজে লাগানো হয়নি। এতদিন শুধু পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের উপর অনেকটাই দায়িত্ব ছিল। এবার সরকারও সক্রিয়ভাবে কাজ করবে। ইতিমধ্যে পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে এক হাজারের বেশি অ্যামেনিটি সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন কিছু নীতিও নেওয়া হয়েছে।
দার্জিলিং, সুন্দরবন, দীঘা এবং পুরুলিয়াকে সামনে রেখে কলকাতার সঙ্গে ওয়েডিং ও MICE ডেস্টিনেশন তৈরি করা হবে। এই বিষয়ে ইতিমধ্যে ৪৫০ জন ওয়েডিং প্ল্যানার এবং শেফের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। উত্তরবঙ্গ-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বড় হোটেল চেইন আনার চেষ্টাও চলছে।

আরও পড়ুনঃ ’আমি অসুখ, ওষুধ দু’টোই জানি’! যাদবপুরে দাঁড়িয়ে জোরালো বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
এর পাশাপাশি নবদ্বীপের মায়াপুরকে কেন্দ্র করে ইউরোপের পর্যটন সার্কিটের মতো নতুন একটি সার্কিট তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে নতুন লোগো, উৎসব, পর্যটনকেন্দ্র এবং নতুন সার্কিটের মাধ্যমে বাংলার পর্যটনকে (West Bengal Tourism) ৩৬৫ দিনের ব্যবসায় পরিণত করার লক্ষ্য নিয়েছে পর্যটন দপ্তর।













