বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সম্প্রতি যাদবপুর ইউনিভার্সিটি ইস্যু (Jadavpur University Issue) থেকে শুরু করে VB-G RAM G এর কাজ সহ একাধিক প্রশ্ন নিয়ে দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) কাছে হাজির হয়েছিল বাংলা হান্টের ক্যামেরা। কোন প্রশ্নের উত্তরে কি জানালেন তিনি? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
অধিপতিহীন জেলা পরিষদে থমকে কাজ, কি জানালেন দিলীপ ঘোষ?
প্রথমেই থমকে থাকা জেলা পরিষদের কাজ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানান, কাজ করছেন কর্মচারীরা তারা আছেন ডিএম আছেন তার নেতৃত্বে কাজ হচ্ছে। প্রতিনিধিরা থাকেন সঙ্গে চর্চা করেন, জনগণের সংবাদ নিয়ে আসেন। আমাদের সিস্টেম এরকম আছে আর যেটুকু বাকি ছিল পঞ্চায়েতে প্রধানকে বাদ দিয়ে যাতে কাজ হতে পারে তার ব্যবস্থা আমরা এমেন্ডমেন্ট করে করেছি। সেই জন্য কাজের গতি চলেছে কিছু কিছু বিষয় একটু পিছিয়ে আছে বীরভূম সেটা আমরা সবার সামনে বলেছি নলেজে নিয়ে এসছি। আমার মনে হয় সে ব্যাপারেও তারা ঠিকঠাক করে নেবেন কয়েকদিনের মধ্যে।
এরপর জেলা পরিষদের তদন্তে গাফিলতি ধরা পড়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ ঘোষ জানান, ‘ত্রিস্তর পঞ্চায়েতে এর আগে বহু গন্ডগল বহু জায়গায় হয়েছে দুর্নীতি হয়েছে। এমন জায়গায় দুর্নীতি গেছে যে কেন্দ্র সরকার স্কিম বন্ধ করে দিয়েছিল। তো সে সব হয়েছে সেগুলো যথা সময়ে হবে বিচার। আমরা আপাতত সাধারণ মানুষের কাছে পরিযেবা পৌঁছে দিয়ে তাদের জীবনে পরিবর্তন করতে চাই। আমরা সামনে এগিয়ে চলেছি। বাকি যেমন কমপ্লেন আসবে তার তদন্ত ইত্যাদি হবে, ব্যবস্থা আছে। কিছু প্রধান পঞ্চায়েত নেতা তো ভেতরে গেছেন আরো কিছু লোক যাবে। কিন্তু ওতে আমরা সময় নষ্ট না করে এগতে চাইছি। যাতে মানুষকে পরিযেবা ঠিক সময় দিতে পারি।
আরও পড়ুনঃ এবার জলপথেই বাবুঘাট টু মায়াপুর, দেশের প্রথম ব্যাটারি ভেসেল চলবে গঙ্গায়
VB-G RAM G ও আবাস প্রকল্পের আপডেট
VB-G RAM G ও আবাসের কি অবস্থা জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, আবাসের সার্ভে হয়ে গেছে প্রায় টার্গেটের কাছাকাছি দুদিনের মধ্যে বাকিটা হয়ে যাবে। জিরামজির কাজ একটু স্লো চলেছে বৃষ্টি বাদল ইত্যাদির জন্য। অন্যান্য কাজ একসঙ্গে শুরু হওয়ার জন্য একটু কর্মচারী সংখ্যা কম বলে গতিটা কম আছে। আমার মনে হয় আবাস যোজনার কাজ শেষ হয়ে গেলে সার্ভে পুরো জিরামজিতে কনসেন্ট্রেট করবেন। এরপর আগামী সেপ্টেম্বর থেকেই আর পুরোপুরি শক্তি লাগিয়ে আমরা এই কাজ করলে কর্মদিবসও বাড়বে সাধারণ মানুষ কাজও পাবেন।
এদিন যাদবপুরে আবর্জনা সাফাইয়ের কাজ শুরু। দেশ বিরোধী স্লোগান মোছার কাজও শুরু হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী বলার পর। এই প্রসঙ্গে যে তিনি জানান, যে বাংলায় বন্দে মাতরম রচনা হয়েছে যেখানে জনগণ মনে রচনা হয়েছে। এমন কবিজমে হয়েছেন যার তিনটে জাতীয় সংগীত তিন দেশেতে গাওয়া হয়। তো সেই বাংলা থেকে কেউ ভারতের বিরুদ্ধে স্লোগান দেবে, ভারতের টুকরে সঙ্গে ইনশাআল্লাহ বলবে এখানে সরকারকে চ্যালেঞ্জ করবে এ অনুমতি আমরা দেব না। ভারতবর্ষের কাশ্মীর সহ সব জায়গায় আজকে এই সমস্ত আওয়াজ বন্ধ হয়ে গেছে। শেষ লড়াই এটা ছিল মানুষ আমাদেরকে অধিকার দিয়েছেন এগুলো বন্ধ করার সেটা হবে।
মুখ্যমন্ত্রী যাওয়ার পর দেশবিরোধী স্লোগান মোছা নিয়ে তিনি আরও জানান, দেওয়াল নয় ভারত বিরোধী মানসিকতা মন থেকে মুছবো আমরা মানুষের। সে অনুকূল পরিবেশ তৈরি হচ্ছে ১০,০০০ লোক বন্দে মাতরম গাইছে। রাখি বন্ধনকে রাজ্য সরকার নিজের উৎসব করে পালন করছে এর মাধ্যমে তো ভারত সারা বাংলা ভারতবর্ষ তথা বিশ্ব বিখ্যাত হয়েছিল সেটাকে আমরা করব।
এমনকি এদিন হাই সিকিউরিটি প্রেসিডেন্সি জেলে জঙ্গির মোবাইল ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। যার উত্তরে উত্তরে দিলীপবাবু জানান, সারা ভারতবর্ষে ছিল অনেক নেক্সাস আছে সেগুলো ধরা পড়ছে আস্তে আস্তে সব ঠিক হবে। আর কি বললেন তিনি? দেখে নিন ভিডিওতে।













