বাংলা হান্ট ডেস্কঃ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে বিলবোর্ড কাণ্ডের রেশ এখনও পুরোপুরি কাটেনি। তার মধ্যেই সোমবার সেখানে হানা দিল দমকল ও পুলিশ। সেখানকার অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা (Fire Audit) খতিয়ে দেখতে এদিন সেখানে হাজির হন আধিকারিকরা।
অভিষেকের অফিসে ‘ফায়ার অডিট’ | (Abhishek Banerjee)
এদিন দুপুরে শেক্সপিয়র সরণী থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ৯ নম্বর ক্যামাক স্ট্রিটের ঠিকানায় পৌঁছন দমকল আধিকারিকরা। ভবনের বাইরের অংশ ঘুরে দেখার পর ভিতরে যান তাঁরা। এক দমকল আধিকারিক জানান, অডিট চলছে। রুটিন মেনে চেক আপ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ সরকারি বাসে ফ্রি যাতায়াতের জন্য মাস্ট! পিঙ্ক কার্ড নিয়ে এবার বিরাট আপডেট দিলেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, “একেবারে এক তলা থেকে সবটা দেখা হচ্ছে। পাঁচ-ছয় তলার এই অফিসে ঠিকঠাক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা আছে কিনা সেটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এটা সবসময় মেনটেন করা উচিত।“
জানা গিয়েছে, অভিষেকের অফিসের কিছু ব্যবস্থার ক্ষেত্রে দমকল আধিকারিকরা সন্তুষ্ট নন। তাঁরা মূলত স্প্রিঙ্কলার্স ব্যবহার করতে পারেননি। অ্যালার্ম বাজেনি। ফায়ার সেফটি সিস্টেমও কাজ করেনি বলে খবর।
জানা যাচ্ছে, বেশ কিছু ক্ষেত্রে খুঁত খুঁজে পেয়েছেন দমকল আধিকারিকরা। এক আধিকারিক জানান, সাত তলা এই ভবনের প্রত্যেকটি তলাতেই সমান ব্যবস্থাপনা আছে। তবে পাঁচ তলা ও ছয় তলার ব্যবস্থা নিয়ে বিশেষ সন্তুষ্ট নন তাঁরা।
এদিকে এই বিষয়ে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “এটা তো স্পষ্ট একটা প্যানিক রিয়্যাকশন। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই মূল শক্তি ভাবে বিজেপি। সেই কারণে তাঁর সঙ্গে যারা আছেন, সে পাড়ার নেতা থেকে বুথ লেভেল কর্মী, সবার পিছনে পুলিশ-প্রশাসনকে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে।“

অন্যদিকে বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার আবার বলেন, “এতদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এমন জায়গায় ছিলেন যেন সবার আগে, সবার উঁচুতে। যেন স্বর্গের প্রতিনিধি। চার ইঞ্চি উপর দিয়ে রথের চাকা চলছে।“
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে বিলবোর্ড খোলা নিয়ে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। কলকাতা পুরসভা ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে রীতিমতো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল কর্মীরা। ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্ট অবধি এই জল গড়িয়েছে। এবার ‘ফায়ার অডিট’ করতে হানা দিল দমকল ও পুলিশ।













