বাংলা হান্ট ডেস্ক : নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে ভোটের লড়াইকে আরও জমিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার নন্দীগ্রামে প্রশাসনিক সভা থেকে সরাসরি জয়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিলেন তিনি। আগের নির্বাচনে পাওয়া ব্যবধানকে ছাপিয়ে এবার আরও বড় জয় নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় মানুষকে আহ্বান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।
উপনির্বাচন নিয়ে কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)?
নন্দীগ্রামের সভা থেকে বিজেপি প্রার্থীর পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী গতবারের ফলাফলের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, ৮২ হাজার ভোটের ব্যবধানে তাঁকে জয়ী করেছিলেন নন্দীগ্রামের মানুষ। এবার সেই ব্যবধানকে পিছনে ফেলে নতুন রেকর্ড তৈরি করার বার্তা দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “গতবার আপনারা আমাকে ৮২,০০০ ভোটে জিতিয়েছিলেন। আপনাদের মনে আছে? এবার রেকর্ডটা ভাঙতেই হবে।”
নন্দীগ্রামের উন্নয়ন প্রসঙ্গে নিজের সরকারের কাজের খতিয়ানও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। দায়িত্ব নেওয়ার পর মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই একাধিক প্রকল্পে কাজ শুরু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। নন্দীগ্রামকে সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবেও তুলে ধরেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী বলেন,”নন্দীগ্রামই অগ্রাধিকার। আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছেন, এবং আমি প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। এই স্বল্প সময়ে আমরা যে কাজ করেছি তা কেবল শুরুমাত্র ।”
এরপরই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের রেল প্রকল্পের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর দাবি, আগের সরকার রাজনৈতিক কারণে ওই প্রকল্পের কাজ আটকে রেখেছিল। বর্তমান সরকার জমি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ায় প্রকল্পের কাজ এগিয়েছে বলেও জানান তিনি।রেল প্রকল্প নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আগের ভোটে হেরেছিলেন বলে রেলের প্রকল্প আটকে রেখেছিলেন। আমরা এসে সাড়ে ৩ একর জমি দিয়েছি, প্রথম ট্রেনে আমি চাপব আপনাদের নিয়ে”।

আরও পড়ুন : সেপ্টেম্বরের শুরুতে কমল সোনার দাম! জানুন আজকের লেটেস্ট প্রাইস
কর্মসংস্থানের প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। জব কার্ডধারীদের জন্য বছরে ১২৫ দিনের মজুরিভিত্তিক কাজের সুযোগের কথা ঘোষণা করেন তিনি। উন্নয়নমূলক প্রকল্পের পাশাপাশি আর্থিক সহায়তা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও নন্দীগ্রামকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে। শেষ পর্যন্ত আগের ভোটের রেকর্ড সত্যিই ভাঙে কি না, সেই উত্তর মিলবে উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেই।













