এক একজনেই সাবাড় করেন ১৫-২০ প্লেট, ‘ফুচকার রাজধানী’ এই শহর, কলকাতা নয় কিন্তু

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : ফুচকা (Fuchka), পানিপুরি বা গোলগাপ্পা- নামের রকমফের হাজারো। আলুর পুর ভরে, টকজলে ডুবিয়ে মুখে দিলেই যেন স্বর্গসুখ। স্ট্রিট ফুডের স্বর্গ কলকাতা শহরে অন্যতম জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড ফুচকা। ভারতের অন্যান্য শহরে আবার বিভিন্ন নামে পরিচিত এই খাবার। কিন্তু বাঙালিদের বরাবরই ফুচকা নিয়ে রয়েছে এক সুপ্ত অহংকার। কলকাতার মতো ফুচকার স্বাদ অন্য কোথাও পাওয়া যায় না বলেই দাবি করেন অনেকে।

ফুচকার (Fuchka) রাজধানী বলা হয় এই শহরকে

অথচ সমীক্ষা কিন্তু বলছে অন্য ব্যাপার। স্বাদ নিয়ে তর্ক বিতর্ক চললেও ‘ফুচকার রাজধানী’র তকমা কিন্তু কলকাতার থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে অন্য এক শহর। সমীক্ষা অনুযায়ী, মুম্বই শহরে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫-২৫ প্লেট পানিপুরি খেয়ে থাকেন এক একজন।

This place is called the fuchka capital

বিক্রি হয় সর্বত্র: আমাদের এখানকার ফুচকা অবশ্য মুম্বইতে পরিচিত পানিপুরি নামে। স্বাদেও রয়েছে কিছুটা তারতম্য। কোথাও মিষ্টি তেঁতুল জল পাওয়া যায় তো কোথাও মেলে পুদিনা আর রসুন মেশানো জল। স্কুল কলেজের সামনে ঠেলাগাড়ি থেকে স্টেশন চত্বর, বাজার, শপিং মল থেকে মেরিনা ড্রাইভ- ফুচকার আধিপত্য সর্বত্র।

 আরও পড়ুন : তিন মাসই মরশুম, কোন সময় ইলিশের স্বাদ হয় সেরা?

দেদারে চলছে ফিউশন: ট্র্যাডিশনাল ফুচকার (Fuchka) পাশাপাশি চলছে দেদারে ফিউশনও। চিজ পানিপুরি, চকোলেট পানিপুরির জনপ্রিয়তাও কম নেই। জানা যাচ্ছে, বড়া পাও বা পাওভাজির থেকেও পানিপুরির জনপ্রিয়তা বেড়ে গিয়েছে মুম্বই শহরে। আর এই প্রবণতাই এই শহরকে করে তুলেছে ফুচকার রাজধানী।

আরও পড়ুন : ভুল করে স্টেশন মিস হয়ে গিয়েছে? প্যানিক করবেন না, রেলই ফেরত দিতে পারে টাকা

আসলে হাতে সময় কম থাকলে চটজলদি খাবারের ক্ষেত্রে ফুচকার জুড়ি মেলা ভার। আপনি ধীরেসুস্থে খেতে চাইলেও ফুচকা বিক্রেতার গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে গেলে তা হওয়ার জো নেই। কম টাকায় হালকা খিদেয় পেট ভরানোর জন্য তাই অনেকেই বেছে নেন ফুচকা।