বাংলা হান্ট ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) জন্মদিনকে ঘিরে বাংলায় এবার জনসংযোগের বড় পরিকল্পনা রাজ্য বিজেপির। ১৭ সেপ্টেম্বর নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন থেকেই শুরু হবে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’। সেপ্টেম্বরের বাকি সময় থেকে অক্টোবর মাস জুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছনোর পাশাপাশি যুব সমাজকে দলের প্রচারের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির।
প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) জন্মদিনকে ঘিরে পরিকল্পনা বিজেপির
বিজেপির পরিকল্পনামাফিক এই অভিযানে একদিকে যেমন বাড়ি বাড়ি গিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যে বিজেপি সরকারের কাজকর্মের খতিয়ান তুলে ধরা হবে, অন্যদিকে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সঙ্গেও যোগাযোগ বাড়ানো হবে। বিজেপির পাশাপাশি দলের বিভিন্ন গণসংগঠনও এই জনসংযোগ কর্মসূচিতে অংশ নেবে। এই কর্মসূচিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে প্রদীপ প্রজ্বলনের উদ্যোগকে। ‘আশীর্বাদ কা দিয়া’ নামে এই কর্মসূচিতে ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় প্রতিটি বুথের পরিবারকে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বান জানানো হবে।
নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছরের জনসেবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ গড়ার সংকল্পকেই এই প্রদীপের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে দল। দলের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া মানুষজনের তালিকা বুথ সদস্যদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সেই তালিকা অনুযায়ী প্রত্যেক সুবিধাভোগীর বাড়িতে যাবেন দলের কর্মীরা। তাঁদের ‘আশীর্বাদ কা দিয়া’ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে। স্কুল পড়ুয়াদের জন্য থাকছে অঙ্কন ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা।
শুধু সভা বা প্রচারপত্র নয়, মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে পথনাটকেরও সাহায্য নেওয়া হবে। কমিউনিটি হল থেকে শুরু করে জনসমাগম হয় এমন জায়গায় এই নাটক পরিবেশন করা হবে।প্রতিটি বিধানসভার ব্লক স্তরে আয়োজন করা হবে ‘সেবা সেতু’ শিবির। সেখানে সাধারণ মানুষ এসে নিজেদের যোগ্যতা অনুযায়ী বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য সরাসরি নথিভুক্ত হতে পারবেন।

আরও পড়ুন : সাত দিনের বদলে তিন সপ্তাহ! সুদীপ-কাকলিদের আর্জি মেনে নিল স্পিকার অফিস
পদযাত্রা ও বাইক র্যালির পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং রক্তদান শিবির আয়োজন করা হবে। সব মিলিয়ে সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে বিভিন্ন স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছনোর প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য বিজেপি। রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর এই প্রথম প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে দলীয় সংগঠন এবং সরকারকে একইসঙ্গে সক্রিয় করার এমন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।গোটা কর্মসূচির সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন তাই এ বার বাংলায় বিজেপির কাছে শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিক উদ্যাপন নয়, বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোই গেরুয়া শিবিরের লক্ষ্য।













