আরজি কর কাণ্ডে কে প্রথম দেখেছিলেন তিলোত্তমাকে? নাম বলে দিলেন মা রত্না

Published on:

Published on:

Ratna Debnath revealed who had first seen Tilottama that day
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : আরজি কর কান্ডে মেয়ের মৃত্যুর পর বিচার চেয়ে যে লড়াই শুরু করেছিলেন, ভোটের ময়দানেও সেই দাবিকেই সামনে রেখেছিলেন তিলোত্তমার মা রত্না দেবনাথ (Ratna Debnath)। নির্বাচনে জয় এসেছে, ক্ষমতার পালাবদলও হয়েছে। কিন্তু তাঁর দাবি, এত কিছুর পরেও মেয়ের মৃত্যুর ঘটনার বিচার এখনও অধরাই রয়ে গিয়েছে। ব্যারাকপুরের একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে সেই আক্ষেপের কথাই ফের জানালেন তিনি।তার কথায় উঠে এল সেদিন রাতে এক অজানা তথ্যও।

কী জানালেন রত্না দেবনাথের (Ratna Debnath) ?

এদিন রত্না দেবনাথ আরজি কর কাণ্ডে এমন এক ঘটনার কথা প্রকাশ্যে বলেছেন, যা তিনি এতদিন কখনও বলেননি। রত্না দেবনাথের কথায়, ঘটনার পর একাধিক তথ্য সামনে এলেও বিচারপ্রক্রিয়ায় তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার বদলেছে, কিন্তু বিচার অধরা। সব কিছু জলের মতো পরিষ্কার কিন্তু বিচার কোনও দিকেই এগোচ্ছে না।”

অভয়ার মায়ের দাবি, ঘটনার দিন রাতে হাসপাতালে কাজে যোগ দেওয়া এক গ্রুপ ডি কর্মী একটি ঘরে ঢুকে তিলোত্তমার দেহ দেখতে পান। সেদিনের ঘটনার ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, “সেদিন রাতে ডিউটিতে এসেছিলেন এক জন গ্রুপ ডি-র কর্মচারী। সে প্রথমে আমার মেয়েকে ওরকম অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। কাজে যোগ দেওয়ার পর বাড়ির জামাকাপড় চেঞ্জ করে যখন ড্রেস পড়ে ওই রুমে ঢুকেছিল, তখনই মেয়েকে ওইভাবে দেখতে পায়। তাঁকে ট্রান্সফার করা হয়েছে। সে এখন আরামবাগে রয়েছে। সবই জলের মতো পরিষ্কার। কিন্তু বিচারের ব্যবস্থা এগোচ্ছে না।”

Ratna Debnath revealed who had first seen Tilottama that day

আরও পড়ুন : পুজোর পরেই মহিলাদের কাছে ফের সুযোগ! অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় আপডেট জানুন

মেয়ের সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ ছিল না বলেও এদিন স্পষ্ট করেন অভয়ার মা। রত্না দেবনাথ জানান, তিলোত্তমা রাজনীতি পছন্দ করতেন না। তার রাজনীতিতে আসার কারণও খোলসা করেন পানহাটির বিধায়ক। বলেন, মেয়ের ন্যায় বিচারের জন্যই তিনি রাজনীতিতে এসেছেন। নির্বাচনী লড়াইয়ে তিনি জয়ী হলেও তাঁর কাছে আসল লড়াই শেষ হবে তখনই, যখন মেয়ের মৃত্যুর বিচার তিনি পাবেন। সেই অপেক্ষাতেই আরও একবার বিচার প্রক্রিয়ার গতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে অপেক্ষায় দিন গুনছেন অভয়ার মা।