ভূতনির জন্য আরও ৫ কোটি টাকার আর্থিক বরাদ্দ! ফের মানবিক সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর

Published on:

Published on:

Suvendu Adhikari allotted 5 crore rupee relief for Bhutni
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসার পর থেকে সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে একাধিক মানবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এবার সেই তালিকায় আরও একটি সংযোজন হল। মালদহের ভূতনি (Bhutni) নিয়ে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের থেকে রিপোর্ট পেয়ে ভূতনির জন্য আরও পাঁচ কোটি টাকার আর্থিক বরাদ্দ করলেন তিনি।

ভূতনির মানুষের কথা ভেবে বিরাট সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর | (Suvendu Adhikari)

বুধবার চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ভূতনি পরিদর্শন করেছে। এরপর গতকালই তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রিপোর্ট দেন। ‘ভূতনির পরিস্থিতি উদ্বেগজনক’, এই মর্মে রিপোর্ট দেন চার দায়িত্বপ্রাপ্ত শীর্ষ আধিকারিক।

আরও পড়ুনঃ রক্ষাকবচ খারিজ! অভিষেকের বাড়িতে হানা দিয়ে আপ্তসহায়ক সুমিতকে গ্রেফতার করল CID

এরপরেই ভূতনির জন্য আরও পাঁচ কোটি টাকার আর্থিক বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেন শুভেন্দু। মূলত সেখানকার সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে ত্রাণ তহবিলে এই বরাদ্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি সেখানকার পরিস্থিতির দিকে ২৪ ঘণ্টা নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সেই মতো বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর ও সেচ দফতর সম্পূর্ণ পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালাচ্ছে।

বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সচিব, ডিজি, মালদহের জেলাশাসক, আইজি নর্থ বেঙ্গল, সিভিল ডিফেন্সকে ভূতনি পরিদর্শন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন শুভেন্দু। কোথায় কতখানি জল জমে আছে, কীভাবে দ্রুত জমা জল বের করা যায়, সেসব খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি জল নিষ্কাশনের ক্ষেত্রে কী কী অসুবিধা রয়েছে, কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করলে দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি সাধন সম্ভব, সেই নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়।

এরপর গতকাল উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ভূতনি পরিদর্শনের পর মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিশদ রিপোর্ট জমা দেন। সেই রিপোর্ট পাওয়ার পরেই আরও পাঁচ কোটি টাকার আর্থিক বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী।

Suvendu Adhikari

এদিকে সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাজ্যের প্রতিনিধিদল। তাঁরা জানায়, রতুয়ার পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো। অনেক বছর এখানে এই রকম বন্যা হয়নি। তবে ভূতনির জল বের হতে সময় লাগবে বলেই দাবি করা হয়।

বর্তমানে বন্যার জেরে ভূতনির ভয়াবহ অবস্থা। একাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সেখানকার সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।