বাংলা হান্ট ডেস্ক : আজ দেশজুড়ে ব্যাঙ্ক ধর্মঘট (Bank Strike)। আজ ধর্মঘট, কাল দ্বিতীয় শনিবার এবং রবিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে টানা তিন দিন ব্যাঙ্কিং পরিষেবা বন্ধ, বিপাকে পড়েছেন বহু মানুষ। ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকে লাইন পড়েছে এটিএমগুলিতে। ব্যাঙ্কের কর্মীদের আন্দোলনের আঁচ এদিন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেও পৌঁছেছে। সকাল থেকেই কয়েকটি জেলার ব্যাঙ্কের সামনে গ্রাহকদের বিক্ষোভের ছবি সামনে আসে।
ব্যাঙ্ক ধর্মঘটে (Bank Strike) ভোগান্তির ছবি
ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকটি এলাকায় উত্তেজনাও তৈরি হয়। কিন্তু হঠাৎ কেন ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক? পাঁচ দিন কর্মদিবসের দাবিতে ব্যাংক আধিকারিক সংগঠনগুলি এই ধর্মঘট ডেকেছে। ২০২৪ সালে বেতন সংশোধন সংক্রান্ত সমঝোতার সময় সপ্তাহে পাঁচ দিন কাজের বিষয়ে লিখিত চুক্তি হয়েছিল। সংগঠনের অভিযোগ, সেই প্রতিশ্রুতি এখনও কার্যকর হয়নি। প্রায় আড়াই বছর ধরে বিষয়টি আটকে থাকায় ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছিল।
ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসার্স কনফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক শুভজ্যোতি চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের বদলে বারবার আইনি সমস্যার কথা বলে বিষয়টি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই প্রতিবাদেই ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যাঙ্ক আধিকারিকরা। এমনকি দাবি পূরণ না হলে ২৮, ২৯ এবং ৩০ সেপ্টেম্বর ফের টানা তিন দিন কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে। এরপরও পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে ২৬ অক্টোবর থেকে লাগাতার ধর্মঘটে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে এআইবিওসি।

আরও পড়ুন : পুজোর আগে ফের বাড়ছে সোনার দাম! আজকের ২২ ও ২৪ ক্যারেটের নতুন রেট কত হল জেনে নিন
কেবল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের আধিকারিকরাই নন, একাধিক বেসরকারি ব্যাঙ্কের অফিসারও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সদস্য। তাই ধর্মঘটের প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক পরিষেবাতে। উৎসবের মৌসুমি য়ে নগদ টাকার প্রয়োজনে ব্যাঙ্কের উপর নির্ভরতা বেড়ে যায়। ধর্মঘট থাকায় সেই চাপ পড়েছে এটিএমগুলিতে। ব্যাঙ্ক আধিকারিক সংগঠনের দাবি মেটাতে দ্রুত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয় কি না, এখন সেই দিকেই নজর ব্যাঙ্ককর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ গ্রাহক সকলের।













