CBI তদন্ত হবে! সরকারি আধিকারিকদের ভর্ৎসনা করে বিরাট নির্দেশ হাইকোর্টের, কোন মামলায়?

Published on:

Published on:

Calcutta High Court slams Government officials in illegal construction case
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সদ্য নতুন প্রধান বিচারপতি পেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এবার এক মামলায় সরকারি আধিকারিকদের তুমুল ভর্ৎসনা করল প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের (Justice Ravindra V Ghuge) ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, আধিকারিকরা কাজ করার জন্য বেতন পাচ্ছেন, কাজ না করার জন্য নয়।

কোন মামলায় সরকারি আধিকারিকদের ভর্ৎসনা হাইকোর্টের? | (Calcutta High Court)

শুক্রবার উচ্চ আদালতে শহর কলকাতার বেআইনি নির্মাণ ও কয়েক হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত এক মামলার শুনানি ছিল। অভিযোগ, বেলেঘাটা, বালিগঞ্জ, রাজাবাজার, মানিকতলা ও ক্যানেল ইস্ট রোড সংলগ্ন অঞ্চলে ৫০-এরও বেশি নূন্যতম অনুমোদনহীন বহুতল নির্মাণ করা হয়েছে। এই মামলায় কালো টাকা সাদা করা, জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া ও অবৈধ বৈদেশিক মুদ্রা রূপান্তরের মতো চাঞ্চল্যকর অভিযোগও আনা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ‘সরকারের কোনও অধিকার নেই’! বুক স্টল বিতর্কে এবার বিস্ফোরক বিকাশ, দিলেন বিরাট হুঁশিয়ারি

এদিন এই মামলার শুনানিতেই প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের ভর্ৎসনার মুখে পড়েন সরকারি আধিকারিকরা। আদালতের প্রশ্ন, এতদিন কেন কোনও স্বতঃপ্রণোদিত অনুসন্ধান হয়নি? এটা রাজ্য বা পুরসভার করার কথা। অবৈধ নির্মাণ হয়েই যাচ্ছে।

কলকাতা পুরনিগম হাইকোর্টে জানায়, তাঁরা বিস্তারিত তথ্য নিয়ে আদালতে জমা করতে চায়। এরপর পুরনিগমের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “পুরসভার আধিকারিক ও পুরকর্মীরা কাজ করার জন্য বেতন পাচ্ছেন, কাজ না করার জন্য নয়।“

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, চিহ্নিত ৪২টি নির্মাণের পাশাপাশি একাধিক অবৈধ নির্মাণের আসল মালিক কে কিংবা সেখানে কারা টাকা ঢেলেছেন, এর কোনও স্পষ্ট নথি নেই। সামান্য অনুমতিটুকুও নেই। কেউ মোটা টাকা এই কাজে ঢেলেছেন বলে অভিযোগ।

Calcutta High Court

এদিনের শুনানিতে পুরনিগমের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালতের হুঁশিয়ারি দরকার পড়লে পুর কমিশনারকে তলব করা হবে। পাশাপাশি এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

হাইকোর্ট জানিয়েছে, দরকার পড়লে সিট গঠন করতে পারবে সিবিআই। পুরসভা ও পুলিশের থেকে নথি সংগ্রহ করে মামলার তদন্ত এগোবে। কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে তাঁদের প্রাথমিক রিপোর্ট পেশের জন্য নির্দিষ্ট ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছে আদালত। আগামী ১৪ অক্টোবর এই রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।