বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ‘ঘাসফুল’ আসলে কার এই নিয়ে নানান তর্ক-বিতর্ক চলেছে। অবশেষে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) না ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে রইল ‘জোড়াফুল’ প্রতীক। আর এবার প্রতীক হীন হওয়ার পর প্রথম সাংবাদিক সাক্ষাৎকার করলেন মমতা। এদিন গণতন্ত্রের কালো দিবস থেকে শুরু করে একাধিক বিষয়ে তোপ দেগেছেন তিনি। কি কি বললেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
এতো যোগীর থেকে বড় ভোগী হয়ে গেছে! : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘আমরা তৃণমূল কংগ্রেসকে বুকে আকড়েই বাঁচবো। যেটা বাংলা থেকে তৈরি হয়েছে সারা ভারতবর্ষের জন্য, ইনক্লুডিং আদার পার্ট অফ কান্ট্রি। গায়ের জোরে বিজেপি আজ যা করছে প্রণামী বাক্স লুট থেকে শুরু করে রাম জন্মভূমি লুট থেকে শুরু করে মেয়েদের কোন নিরাপত্তা নেই। এই জিনিস কোনদিন আমাদের এখানে হয়নি’।
এরপর বর্তমান সরকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইভেন অনেকে যোগীকে বলে এতো যোগীর থেকে বড় ভোগী হয়ে গেছে! এতো যোগীর থেকে বেশি অত্যাচারী হয়ে গেছে। এমনকি দীর্ঘদিনের কাগজগুলোকে গিয়ে থ্রেট করছে, বাধ্য করছে সংবাদ মাধ্যমকে। আনন্দবাজারে গিয়ে গেরুয়া রং লাগিয়ে দিয়েছিল গেরুয়া পবিত্র রং ওটা মন্দিরে থাকে। ওটা পায়ে মারিয়ে যাওয়ার জন্য নয় ওটাকে আমরা শ্রদ্ধা করি। ওটা আমার ন্যাশনাল ফ্লগের রং রং বদলে দিলে নাম বদলে দিলেই কি হৃদয় বদলানো যায়?
আরও পড়ুনঃ ‘যোগীর থেকেও বেশি অত্যাচারী, মেয়েদের কোনো নিরাপত্তা নেই!’ বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার
অতীতের কথা স্মরণ করিয়ে মমতা বলেন, ইন্দিরা গান্ধী কংগ্রেসে থাকাকালীন তিনবার সিম্বল চেঞ্জ হয়েছিল। মনে রাখুন জোড় বলদ ছিল প্রথমে কংগ্রেসের প্রতীক, তারপরে ছিল গাইবাছুর। তারপরে হল কংগ্রেস আই, এই হাত, আমি পার্টির কথা বলছি। কাজেই এটা মনে রাখবেন মানুষ যেটা গ্রহণ করে সেটাই মানুষের সিম্বল হয়। সুতরাং আমি মানুষের সামনে ছিলাম আছি থাকবো। আমাদের দলের অস্তিত্বকে নিয়েই আমরা বাঁচবো। টেম্পোরারিলি হয়তো টাইম ওরা জিতেছে বলে এত অত্যাচার এজেন্সিকে নিয়েও করাচ্ছে। প্রতিদিন ইডি, প্রতিদিন সিবিআই, প্রতিদিন এসটিএফ, প্রতিদিন সিআইডি! কে নয়? সব ভয়, ভয়…
এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও জানান, ভরসা আউট বিজেপি লবি আউট, ইন শর্ট স্টেট আই বিলিভ। আমি এটাই আপনাদের কাছে বলতে চেয়েছিলাম। আর লাস্ট কথা একটা বাংলার মানুষের জন্য বলি আমি সুকান্তের একটি কোটেশন, একটা কবিতা আমার কবিতা নয়। আমার অনেক কর্মী মারা গেছে অনেক মহিলারা নির্যাতিত হয়েছে। অনেক মা বোনেরা আজকে বিপদে আছে, শঙ্কায় আছে, মানুষের মনে হাসি নেই। হকাররা বেকার হয়ে গেছে, দোকানদাররা আজকে জীবনযাপন কি করে করবে ভাবছে। পুজো কমিটিগুলো জোর করে দখল করেছে, সব জায়গায় গেরো।’আর কি বললেন? চলুন দেখে নেওয়া যাক।














