বাংলা হান্ট ডেস্কঃ অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। তেমনি বাড়ছে বিতর্কও। বর্তমানে বাংলায় দাঁড়িয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Yojana)। ইতিমধ্যেই পর পর তিন মাসের টাকা ঢুকে গিয়েছে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে। সেপ্টেম্বর মাসে উপভোক্তা সংখ্যা দেড় কোটিরও বেশি বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। যদিও অভিযোগ উঠছে, আবেদন জমা করলেও বহু প্রকৃত ও ‘যোগ্য’ উপভোক্তা প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই নিয়ে ক্ষোভ বাড়ল কোচবিহারে।
কোচবিহারে বিক্ষোভ, অন্নপূর্ণা নিয়ে আশ্বাস মন্ত্রীর | Annapurna Yojana
অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না ঢোকায় কোচবিহারে এর আগেও ক্ষোভ-বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে দফায় দফায়। এবার চতুর্থ মাসে প্রকল্পের টাকা ছাড়ার পরও একই অবস্থা। কোনো টাকাই ঢোকেনি তাঁদের। কারও ‘রিজেক্টেড’ কারও ‘আন্ডার ইনকোয়ারি’ দেখাচ্ছে। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ একদল মহিলা রবিবার অভিযোগ জানাতে যান পঞ্চায়েত মন্ত্রীর কাছে। কিন্তু তাঁর দেখা না পেয়ে নারী ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মালতি রাভা রায়ের কাছে নিজেদের অভিযোগ তুলে ধরেন।
বিক্ষুব্ধ মহিলাদের দাবি, অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য তাঁরা যোগ্য হওয়ার পরেও মাসের পর মাস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকছে না। বিজেপি কর্মী বলে পরিচয় দেওয়া সেই মহিলাদের দাবি, ১৮-১৯ বছর ধরে বিজেপি করেন তারা। প্রকল্পের জন্য যোগ্য হওয়ার পরেও টাকা পাননি। বার বার প্রশাসনের কাছে জানানো সত্ত্বেও সমস্যার সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।
রাজ্যের নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মালতি রাভা রায় এই মহিলাদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, যোগ্য কোনও উপভোক্তাকে অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে বঞ্চিত করা হবে না। কোথাও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার কারণে সমস্যা হয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে। উপভোক্তাদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ চলছে। প্রতি মাসেই উপভোক্তার সংখ্যা বাড়ছে। যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হলে প্রকৃত যাঁরা যোগ্য তারা সকলেই টাকা পাবেন।

আরও পড়ুন: অভিষেক নয় কার নির্দেশে টাকা জমা হত? সুমিতের নতুন বয়ানে উঠে এল অরূপ বিশ্বাসের নাম
উল্লেখ্য, রাজ্যের পুর ও নারী-শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, “অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা বণ্টনের আগে ও পরে তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এই প্রকল্পের সুবিধা শুধুমাত্র যোগ্য আবেদনকারীরাই পাবেন। সেক্ষেত্রে নথিতে যদি অসঙ্গতি থাকে তাহলে কিছু নাম বাদ পড়বে।” পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষও বলেছেন, “অন্নপূর্ণা যোজনা কেবল যোগ্য ব্যক্তিরাই পাবেন। সবাই নয়।”














