‘বৈষম্যের শিকার আমরা’, প্রতীক ফেরত চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ নওশাদ সিদ্দিকী

Published on:

Published on:

ISF Naushad Siddiqui goes to Calcutta High Court as Election Commission changes Party Symbol from Envelope
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সামনেই উপনির্বাচন, তার আগেই জোর ঝটকা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। যার জেরে প্রতীক বিতর্ককে ইস্যু করে সরগরম হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি মহল। একদিকে যখন পথিক বিতর্কে বিভক্ত তৃণমূলের দুই শিবির। অন্যদিকে তখনই নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে ফ্রি সিম্বল খাম হাতছাড়া হয়েছে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদের (Naushad Siddiqui)। তাই নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছেন আইএসএফ বিধায়ক। তার প্রশ্ন, কেন এই প্রতীক বদলে দেওয়ার আগে তাদের সাথে কোন রকম আলোচনা করল না নির্বাচন কমিশন।

প্রতীক হাতছাড়া হওয়ায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ নওশাদ সিদ্দিকী

প্রতীক বিতর্কে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার পর এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন নওশাদ। সেখানেই অভিযোগ জানিয়ে এদিন তিনি বললেন, ‘নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা করা প্রতীক নিয়ে বৈষম্যের শিকার আমরা হয়েছি। কারণ মার্চের ১০ তারিখ ২০২৬ সালের যে সিম্বল আমাদেরকে দেওয়া হয়েছিল, বাই ইলেকশনে হঠাৎ করে দেখছি সেই সিম্বল রাতারাতি গজিয়ে ওঠা অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে দিয়ে দিল। আমাদের সাথে ইনজাস্টিস হয়েছে। জাস্টিস পাওয়ার জন্য, ন্যায় পাওয়ার জন্য কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ আমরা হয়েছি। ‘

নওশাদ সিদ্দিকীর স্পষ্ট দাবি, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাদের সাথে কোনো আলোচনা করা হয়নি। তাঁর কথায়, ‘যখনই আমরা নোটিফিকেশন দেখলাম নির্বাচন কমিশনের অবজেকশন দিয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনকে জানালাম। এখনও পর্যন্ত কোন ধরনের কমিউনিকেশন আমাদের সাথে করে ওঠেননি।’

আরও পড়ুনঃ ‘জেরার প্রয়োজন নেই, যে মামলায় ইচ্ছা তোলা যায়…’ হুমায়ুন কবীরকে বিয়ে বিস্ফোরক সজল ঘোষ

নিয়ম অনুসারে ফ্রি সিম্বল যেহেতু ভারতবর্ষের যে কেউ পেতে পারে। তাই সে ক্ষেত্রে একবার যেহেতু তারা পেয়েছেন সেটা যে আর কেউ পাবেন না তা কিন্তু নয় । এপ্রসঙ্গে নওশাদ এদিন বললেন, ‘কিন্তু কোন সময় সিম্বল পাওয়ার জন্য, কোন নির্বাচনে সিম্বল পাবে কি পাবে না, টেন বি’র ফর্ম ফিলাপ করতে হয়, ওর সেকশনে আছে। তার আগে নোটিফিকেশন দিতে হয় আপকামিং এই ইলেকশন এর ব্যপারে। যেমন ২০২৭ এ যে কটা স্টেটে ইলেকশন হবে অলরেডি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নোটিফিকেশন করে দেওয়া হয়েছে যে এই স্টেটগুলোতে ইলেকশন হবে আপনারা আপ্লিকেশন করতে পারেন।’

একইসাথে নওশাদের সংযোজন, ‘আর আমাদের এক্ষেত্রে ওয়েস্ট বেঙ্গল অ্যাসেম্বলি জেনারেল ইলেকশনের জন্য নোটিফিকেশন করেছিলাম আমরা সেখানে অ্যাপ্লাই করেছিলাম। অ্যাপ্লাই-এর পরিবর্তে আমরা পেয়েছি । বাই ইলেকশন পার্ট অফ দ্য ইলেকশন, জেনারেল ইলেকশনের পার্ট। এখানে আমরা সম্পূর্ণ মনে করছি বা বাস্তবিক ক্ষেত্রে আমাদের সাথে বৈষম্য করা হয়েছে, এবং নিয়মের কোনো রকম তোয়াক্কা না করে এটা করা হয়েছে।’