‘লোকতন্ত্রকে বাঁচানোর কাজ করছে ইলেকশন কমিশন’, মতবিরোধের সরিয়ে বার্তা সম্বিত পাত্রের

Published on:

Published on:

Sambit Patra
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ইস্যুতে সরগরম বাংলার রাজ্য-রাজনীতি। এরই মাঝে সাংবাদিক বৈঠক করে এবিষয়ে বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্র (BJP Spokesperson Sambit Patra) বললেন, ‘লোকতান্ত্রিক পদ্ধতির সাথে কাজ করে লোকতন্ত্রকে বাঁচানোর কাজ করছে ইলেকশন কমিশন।’

লোকতন্ত্র বাঁচানোর কাজ করছে ইলেকশন কমিশন

সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই এদিন তিনি বললেন, ‘আপনারা জানেন কিভাবে ২০১৪ সাল থেকে মোদি সরকার তৈরি হয়েছে, কিভাবে একের পর এক বিরোধী শিবির ধরাশায়ী হয়েছেন। আর তারা ধরাশায়ী হয়েছেন কোন যুদ্ধের ময়দানে নয় লোকতান্ত্রিক ময়দানে। জনগণ তাদের নির্বাচিত না করায় এই সমস্ত দলগুলির এখন অস্তিত্ব সংকটে’।

তাঁর দাবী, ‘বিশেষ করে কংগ্রেস পার্টি দেখেছে আমরা জিততে পারবো না তো কি হয়েছে? সব থেকে বড় অস্ত্র যেটা আমাদের হাতে আছে, ‘To kill the institution of the country.’ আমাদের যে সংবিধানিক সংস্থা আছে ঐ সমস্ত সংবিধানিক সংস্থার উপরে আঘাত করা, ওই সমস্ত সংবিধানের সংস্থা গুলিকে কিভাবে বদনাম করা হয়। আর ওই বিষয়ে, আজ বেশ কিছু রাজনৈতিক দল প্রেস কনফারেন্স করেছেন ইলেকশন কমিশন অফ ইন্ডিয়াকে নিয়ে।’

আরও পড়ুনঃ পুজো আসার আগেই বিরাট ঘোষণা! একইসাথে মিলবে ৯ বছরের বকেয়া DA, বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নের

তারপরেই তিনি মনে করিয়ে দিয়ে বললেন, ‘আমি এখানে ইলেকশন কমিশন অফ ইন্ডিয়ার তরফ থেকে প্রেস কনফারেন্স করার জন্য বসে নেই। আমার সঙ্গে সেই প্রেস নোটটাও আছে যেটা ইলেকশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া জারি করেছে। আমি তো পড়েছি, আশা করছি আপনারাও পড়েছেন। ‘

একইসাথে তিনি বললেন, ‘আপনারা অবস্থাটা দেখুন এখন তিনজন ইলেকশন কমিশনার নিজেদের মধ্যে আমি খুব সোজাসাপটা ভাষায় বোঝাচ্ছি। যাতে গ্রামে বসে থাকা আমার কোন ঠাকুমাও বুঝতে পারেন। সারাদেশে যে তিনজন ইলেকশন কমিশনার নির্বাচন করিয়ে থাকেন ওনাদের নিজেদের মধ্যে যদি কোন বিষয়ে খবর আদান-প্রদান না হয়, কোন প্রকার টিকা টিপ্পানি না হয়, কোন প্রকার শলা পরামর্শ না হয় আর তারা, ‘হ্যাঁ তে হ্যাঁ মিলিয়ে থাকেন।’

তাই নির্বাচন কমিশনের চরম সমালোচনা করে তিনি বললেন , ‘তাদের এই আচরণের জন্য বিরোধীপক্ষ বলে থাকেন এটা তো ডিকটেটরশিপ চলছে। এই তিনটিকে তো এই সরকারই বানিয়েছে। আর এরা, ‘হ্যাঁ-তে হ্যাঁ মিলিয়ে থাকেন।’

বিজেপি নেতার কথায়, ‘এই তিনজন আসলে গোদিওয়ালা। এমনকি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য তিনি বললেন আপনাদের তো গদি মিডিয়া বলা হয়। এরা তিনজনেও গদিওয়ালা। এখন এই তিন জনের মধ্যে চোদ্দটি চিঠি পত্র আদান প্রদান হয়েছে। তাঁর দাবী ভারতীয় জনতা পার্টি গিয়ে এই সমস্ত চিঠি পড়ে না। কিন্তু বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে এই তিনজনের মধ্যে বেশ কিছু চিঠি আদান প্রদান করা হয়েছে যা কিনা একটি ভালো লোকতন্ত্রের প্রমাণ।’