GenZ-দের সাথে দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, দিলেন বিশেষ বার্তা

Published on:

Published on:

PM Narendra Modi with GenZ for Bhajan Clubbing
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ শুক্রবার নয়া দিল্লির দীনদয়াল উপাধ্যায় পার্কে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ১১০ তম জন্মবার্ষিকী (Deendayal Upadhyaya’s 110th birth anniversary) উপলক্ষে একটি ‘ভজন ক্লাবিং’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। এদিন GenZ দের পাশে বসেই ভজন অনুষ্ঠানের আনন্দ নিলেন মোদী। এর পাশাপাশি দীনদয়াল উপাধ্যায়ের সামাজিক ও রাজনৈতিক অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

মঞ্চ থেকে মোদীজি জানান, সমাজের প্রতিটা প্রান্তিক মানুষের কাছেও উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়াও দীনডায়ালকে শ্রদ্ধা জানিয়ে মানুষের জীবনের তাঁর কি অবদান ও প্রভাব বা ‘অন্ত্যোদয়’ এর কথাও বলেন। এখন অনেকের মনেই প্রশ্ন হতে পারে এই ভজন ক্লাবিং কি? আর মোদীজি ঠিক কি বললেন? চলুন দেখে নেওয়া যাক।

PM Narendra Modi Bhajan Clubbing on Deendayal Upadhyaya’s 110th birth anniversary

ভজন ক্লাবিং কী?

ভজন ক্লাবিং হল আসলে ভক্তিগনের আধুনিক ভার্শন যেটা GenZ-দের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছি। আর পাঁচটা গানের কনসার্টের মতোই ইউ অনুষ্ঠান হয়। পার্থক্য মূলত গানে। যদিও এক্ষেত্রে আধুনিক বিটের ব্যবহার থেকে ইলেক্ট্রনিক মিউজিক, মঞ্চে আলোর খেলা চলে। যেমন এই অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে জানা যাচ্ছে, ‘রঘুপতি রাঘব রাজা রাম’ থেকে ‘রাধে রাধে জপ চলে আয়েঙ্গে বিহারি’ এর মত গান গাওয়া হয়েছে। বর্তমানে রাজধানী দিল্লি তো বটেই, একাধিক শহরের মধ্যে GenZ প্রজন্মের এই ধরণের অনুষ্ঠান বা ভজন ক্লাবিং হচ্ছে। নতুন প্রজন্মের কাছে এটি ভক্তি গান ও ভোজনের সাথে মিউজিক গিগের মত প্রকাশ করা মনে হচ্ছে।

এদিন মোদীজি নিজের সোশ্যাল মিডিয়াতে লেখেন, ‘রাস্ট্রসেবা ও সত্যিকারের একজন সাধক হলেন পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়। তাঁর জন্মজয়ন্তীতে প্রণাম। তিনি সমাজের একেবারে প্রান্তিক মানুষগুলির উত্থানকেই রাষ্ট্র গঠনের আঁধার বলে মনে করেন। ফলে অন্ত্যোদয়ের এক এমন চিন্তাভাবনা দিয়েছিলেন যেটা আজও জনকল্যাণের জন্য মাউনসকে অদ্ভুতভাবে অনুপ্রাণিত করে। আসুন এই বিশেষ দিনে ওনার আদর্শ কে অন্তর্নিহিত করে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পূরণের সংকল্প নিই’।

আরও পড়ুনঃ অন্নপূর্ণা যোজনায় নতুন করে শুরু হচ্ছে আবেদন, কবে, কোথায় যাবেন দেখে নিন

যেমনটা জানা যাচ্ছে, জনসংঘের নেতা ও স্বতন্ত্রতা সংগ্রামে যাওয়া দীনদয়াল ২৫শে সেপ্টেম্বর ১৯১৬ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। এরপর ছোটবেলা থেকেই নিজের কথা স্পষ্টভাবে জানানোর জন্য বেশ পরিচিতও ছিলেন। ১৯৪০ সালে ‘রাষ্ট্র ধর্ম’ নামক একটি মাসিক ম্যাগাজিনের প্রকাশনাও চালু করেছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৬৭ সালে তিনি ভারতীয় জন সংঘের অধ্যক্ষ্য হয়েছিলেন, এবং প্রতিবার কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতেন। এরপর ১৯৬৮ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি মুঘলসরাই জংশনের কাছে তাঁর মৃতদেহ পাওয়া যায়। যে কারণে ওই জংশন স্টেশনের নাম দীনদয়াল স্টেশন করে দেওয়া হয়েছে।