বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে (Gyanesh Kumar) কেন্দ্র করে এমনিতেই সরগরম গোটা দেশের রাজনৈতিক মহল। এরইমধ্যে ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR) থেকে শুরু করে তরুণ ভোটারদের (GenZ Voter) নাম নথিভুক্ত করা থেমে যাওয়ার জল্পনা নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন তথা (ECI)।
SIR এর পর যুক্ত ২.৭৩ কোটি GenZ নাম
অন্যদিকে গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের পর থেকে দেশব্যাপী চালু হওয়া এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়েও সামনে এলো বড় তথ্য। তথ্য তুলে ধরে শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন ২০২৫ সালের পর থেকে এস আই এর প্রক্রিয়ার শুরু হওয়ার পর এখনো পর্যন্ত ভোটার তালিকায় মোট ২ কোটি ৭৩ লক্ষ লক্ষ নতুন জেন্সি বা তরুণ ভোটারদের নাম নথী ভুক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশের বয়স ১৮ থেকে ২৮ বছর।
প্রসঙ্গত এই ভাবেই তরুণ ভোটারদের ভোটাধিকার নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল তা উপযুক্ত তথ্য সমেত নস্যাৎ করে দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। একইসাথে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন বার্ষিক ভোটার তালিকা প্রকাশের নির্দিষ্ট সময়সীমা ছাড়াও ভোটার তালিকায় নাম তোলার সার্বিক সুবিধা, নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু থাকে।
আরও পড়ুনঃ ‘জ্ঞানেশ কুমারকে তো পদ্মভূষণ দেওয়া উচিত’, গ্রেফতারের দাবির পাল্টা প্রশংসায় ভরালেন শমীক
যার ফলে নিরবিচ্ছিন্ন এই পরিষেবাকে কাজে লাগিয়ে যে কোনও যোগ্য তরুণ বা নাগরিক নির্দিষ্ট আবেদনপত্রের মাধ্যমে ভোটার তালিকায় নিজের নাম নথিভুক্ত করতে পারেন। জানা যাচ্ছে নির্বাচন কমিশনের তরফে যে ২.৭৩ কোটি নতুন নাম ভোটার তালিকায় তোলা হয়েছে সেই নতুন পরিসংখ্যানের মধ্যে যেমন রয়েছে ১৮ বছর পূর্ণ করা নতুন ভোটাররা, তেমনই রয়েছেন ইতিপূর্বে ভোটাধিকার পেয়েও পরবর্তীতে বিশেষ কারণবশত তালিকায় নাম না ওঠা বা পরবর্তীতে সংশোধিত হওয়া অন্যান্য তরুণ ভোটারদের নাম।
বিষয়টিকে আরও স্পষ্ট করে দিয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, নতুন ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত করার জন্য ফোন সিক্স সারা বছরই পূরণ করার সুযোগ থাকে। একই সাথে নির্বাচন কমিশনের দাবি এসআইআর চলাকালীনও প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক কাঠামোর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে এই ব্যবস্থার আওতায় আনার কাজ করা হয়েছে।













