‘গরিব হিন্দু-মুসলমানের জন্য, বিজেপি নয়’, বিস্ফোরক দাবি নওশাদ সিদ্দিকীর

Updated on:

Updated on:

Naushad Siddiqui claims a double-digit tally left draws a blank yet
Follow

বাংলা হান্ট ডেক্সঃ জ্ঞানেশ কুমার ইস্যু থেকে শুরু করে এস আই আর (SIR) এর তালিকায় নাম বাতিল হওয়া পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষদের একযোগে আন্দোলনে সমিল হওয়ার এমন জানালেন আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকী (Nawsad Siddiqui, ISF)। বড় দাবী তুললেন রাজ্যের কৃষকদের নিয়েও।

আগে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, পরে অন্য কোনো আলোচনা : নওশাদ সিদ্দিকী

এইএসএফ নেতার কথায়,’নতুন বার্তা দেওয়ার কিছু নেই, একটাই বার্তা জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চাই, তারপরে অন্য কোন আলোচনা হবে। এস আই আর-এর পিরিয়ড থেকে ১৮০ জন মত মানুষ মারা গিয়েছেন। এর দায়ভার জ্ঞানেশ কুমার এর উপর। যাদের ২০০২ সালের এর এস আই আর লিস্টে এ নাম আছে তাদের নাম উঠে যাবে। নাম না থাকলে পিতা, মাতা, ঠাকুমা ঠাকুরদা এই চারজনের নাম থাকলে নাম উঠে যাবে। ভোটের আগে এসব বলা হয়েছিল।’

বিজেপিকে উদ্দেশ্য করে জ্ঞানেশ কুমার প্রসঙ্গে খোঁচা দিয়ে আইএসএফ নেতার মন্তব্য, বলা হচ্ছে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিজেপি অত চিৎকার করছে কেন? বিজেপি অত সাফাই গাইছে কেন ?’

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এদিন নওশাদ জানিয়েছেন, ‘আগামী ২৯ তারিখ, মঙ্গলবার শিয়ালদা থেকে নির্বাচন কমিশনের অফিস অভিমুখী আমরা মিছিল করব।’ তাই ওই মিছিলে সবাইকে আহ্বান জানিয়ে নওশাদ বলেছেন,শুধু আইএসএফ কেন একা মিছিল করবে যাদের নাম ট্রাইবুনালে রয়েছে তাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন ঘরে ঘুমালে এর সমাধান হবে না। ‘আসুন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় রাস্তায় নামুন,প্রতিবাদে সামিল হন।’

আরও পড়ুনঃ ‘হামলাকারীরা বিজেপির কেও নন’, এসব তৃণমূল ও কংগ্রেসের রাজনীতি জানালেন শমীক ভট্টাচার্য

অন্যদিকে বিজেপিকে চরম কটাক্ষ করে নওশাদ এদিন বললেন, ‘যতই বলুক বিজেপি সনাতনীদের সরকার,হিন্দুদের সরকার । বিজেপি হচ্ছে বড়লোকদের সরকার, শিল্পপতিদের সরকার। সেই শিল্পপতিদের মধ্যে যদি মুসলমানও থাকে তাকেও দেখবেন বিজেপি তোয়াজ করবে।গরিব হিন্দু মুসলমানের জন্য বিজেপি নয়। এই হকার উচ্ছেদ করা হয়েছে এর মধ্যে তো ৮০% গরিব হিন্দু এফেক্টেড হয়েছে।’

বাংলার কৃষকদের প্রসঙ্গেও নওশাদ এদিন বললেন, ‘দেখুন পশ্চিমবাংলায় ৫০ শতাংশ মানুষ কৃষি কাজের সাথে যুক্ত। আর পরোক্ষভাবে ২০ শতাংশ অর্থাৎ ৭০ শতাংশ মানুষ কৃষি কজের সাথে যুক্ত। এত বড় একটা ইন্ডাস্ট্রি। কিন্তু দেখা যাবে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের সঠিক দাম পান না। বা এই ফসল বিশ্বের দরবারে সেভাবে আমরা এক্সপোর্টও করতে পারি না, বেশ কিছু কারণ আছে। কৃষকদের রেজিস্ট্রেশন নেই বা অনেক সময় যে সার ইউজ করা হয়, সেই সারের মাত্রা বেশি হওয়ায় বিদেশে বিশেষ করে ইউরোপে, মিডিল ইস্টে এগুলো গ্রহণ করে না। অনেক ঝামেলা থাকে। ফলে একটা ট্রেনিং দিয়ে এই কৃষকদেরকে দিয়ে যদি চাষ করানো যায়। তাহলে উৎপাদিত ফসলের গুণমান ভালো হবে, দু-চার পয়সা বেশিও পাবে।’