‘আমরা পুলিশের ঘোমটার আড়ালে খ্যমটা নাচি না’, ছাত্র ভোট-যাদবপুর নিয়ে বিস্ফোরক নীলকণ্ঠ ভট্টাচার্য

Updated on:

Updated on:

ABVP State Secretary Nilkantha Bhattacharya talks about Student Election and Jadavpur
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সম্প্রতি ভারতমাতা ও স্বামীজীর প্রতিকৃতির অপমানের প্রতিবাদে একটি মিছিল বের করেছিল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। সেখানেই SFI থেকে SIDS এর মত স্টুডেন্ট সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন রাজ্য সম্পাদক নীলকণ্ঠ ভট্টাচার্য (Neelkantha Bhattacharjee)। কী বললেন তিনি? চলুন দেখে নেওয়া যাক।

নন পলিটিক্যালের নাম করে স্টুডেন্ট ইউনিয়নে বামপন্থী, অতিবামপন্থীরা কাজ করছে!

যারা ন্যারেটিভ তৈরি করার চেষ্টা করছে তাদের স্পষ্টভাবে আমরা বলব। যে নন পলিটিক্যালের নাম করে, স্টুডেন্ট কাউন্সিল, স্টুডেন্ট ইউনিয়নের নাম করে যে বামপন্থীরা বা অতি বামপন্থীরা নাকসালরা যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাদেরকে আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, যদি বুকের পাটা থাকে, যদি সাহস থাকে, তাহলে এসএফআই, এআইডিএসও, এগুলোর নাম করে স্টুডেন্টদের মধ্যে যাও স্টুডেন্টরা তোমাদের বুঝিয়ে দেবে যে স্টুডেন্টরা তোমাদের কতটা ভালোবাসে। খুব আদর যত্ন করবে খুব ভালোবাসা আদর দেবে।

কটা ছুরি কাঁচি, কাটার দাগ পড়েছে, কিসের কি হয়েছে আমরা তো ছবিতে দেখতে পেয়েছি। ভিডিওতে কি এসছে? যে স্বামী বিবেকানন্দর মুখে লাথি পরছে। স্বামী বিবেকানন্দর মুখে লাথি পরা মানে সমগ্র বাঙালি জাতির মুখে লাথি এইটা কোনভাবেই মানা হবে না। আমরা স্পষ্টভাবে সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি যে, যারা যারা ইনভল্ভড আছে তাদেরকে যে ‘Rasuka Act’ আছে প্রিভেনশন অফ এন্টিন্যাশনাল এক্টিভিটিস যে অ্যাক্ট আছে, তার আওতায় নিয়ে এসে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হোক এবং কঠোর থেকে কঠোরতর শাস্তি দেওয়া হোক। যাতে ভারতমাতার প্রতিকৃতি ছেঁড়া বা স্বামী বিবেকানন্দর মুখে লাথি মারার সাহস আগামী দিনটাতে কেউ না দেখায়।

আরও পড়ুনঃ অবশেষে শুরু হবে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান, ১২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

স্বপ্ন দেখতে টাকাও লাগে না, ট্যাক্সও লাগে না। সেজন্য স্বপ্ন দেখতে কাউকে কোন বাধাও নাই যদি রাত্রেবেলায় ওই এমএ পাস করেছে ওপেন থেকে এই ছেলেটা যদি স্বপ্ন দেখে যেও প্রধানমন্ত্রী হয়েছে দেশের সেটা দেখেও যদি খুশি হয় আনন্দ পায় পাক না। আমাদের কারো আনন্দতে সমস্যা নেই। কিন্তু বাস্তবের মাটিতে কেরালাতে যেটা বামদুর্গ বলা হয় সেখানেও ABVP জিতেছে। পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটি যেখানেতে আম আদমী পার্টির সরকার সেখানেও এবিভিপি জিতেছে। দিল্লি ইউনিভার্সিটি যেখানেতে উত্তাল ছাত্র আন্দোলন বিজেপির নামে তো হল সেখানেতেও এবিপি জিতেছে।

তাই আগামী সময়তে পশ্চিমবাংলাতে নির্বাচন হলো এবিভিপিই জিতবে এই নিয়ে কারো মনে কোনরকম কোন দ্বিধা থাকার জায়গা নেই। চার তারিখের আগেও তো এবিপি রাস্তায় নামতো। চার তারিখে আগেও এবিপি যদি ভারতের পতাকার উপরেতে আমাদের মহাপুরুষদের উপর অপমান হতো। এই যে এরা বামপন্থীগুলো যে বিদ্যাসাগরে মূর্তি ভেঙেছিল তারপরে তো আমরা আন্দোলন করেছি।  আমাদের স্পষ্ট বিষয় আছে, আমরা পুলিশের ঘোমটার আড়ালে ঘ্যামটা নাচি না। ওটা তৃণমূলদের কালচার ওটা সিপিএমদের কালচার।

এবিপি করার জন্য বুকে দম লাগে বুকে পাঠা লাগে পুলিশের ঘোমটার আদালতে খ্যামটা নাচা আমাদের সংস্কৃতি নয়। যাদবপুরের মধ্যে একটা বিরাট নেক্সাস ছাত্রছাত্রীদের থেকে শুরু করে ছাত্রছাত্রীদের থেকে বেশি টিচার প্রফেসরদের আছে। যারা ঝুটা মাথা, বিভিন্ন তারা বিভিন্নভাবে ফান্ডিং এর নাম করে এডমিশনস এর নাম করে পিএইচডির নাম করে সেখান থেকে টাকা পয়সা তুলে একটা নেক্সাস চালায়। সেই নেক্সাস থেকে টাকা পয়সা যে আসে তার থেকে গাজা খাওয়ার টাকা দিয়ে ছাত্রছাত্রীদেরকে পোষে পাতি কথায়। দিয়ে বামপন্থী আন্দোলনকে সেখানে জাগিয়ে রাখ।

আরও পড়ুনঃ ‘ভ্যানিশ কুমার চোর, ভ্যানিশ কুমার ডাকত’, অবিলম্বে পদত্যাগ চেয়ে আন্দোলনের ডাক মমতার

তাই এদের দিন শেষ হতে চলেছে খুব তাড়াতাড়ি। অনেকজন টিচারের নামেতে অনেক মোটা মোটা ফাইল আমরা তৈরি করছি। যথাযথ জায়গায় আমরা দেব। তাদের যে সুখের জায়গাটা যে সব সময়তে যাদবপুরে কলকাতাতেই থেকে যাব সেইটা হবে না। খুব বিজ্ঞ বিজ্ঞ টিচার তো! কেন মেখলিগঞ্জ কলেজের স্টুডেন্টদেরও তো অধিকার আছে যাদবপুরের একটা ভালো টিচারের কাছে পড়ার।  প্রিন্সিপালদের বা এডমিনিস্ট্রেশন যারা বসে আছে তাদের স্পষ্ট বোঝা উচিত বা দেখা উচিত বহিরাগত ছাত্রছাত্রীরা ঢুকছে কি ঢুকছে না? তাদের এগেন্সে থেকে স্ট্রিক্টঅশন নেওয়া উচিত। আর কোন টিচারের কোন প্রফেসরের যদি কোথাও গিট বাধা থাকে, তো তাদেরকে আহ্বান করব যে সেই গিটগুলো খুলে দিক। তাহলে আগামী সময়তে তাদের ব্যবস্থা তাদের নিজেদের করে নিতে হবে।