বাংলা হান্ট ডেস্কঃ যেমন কথা তেমন কাজ। পুজোর আগেই ঘাটালবাসীর জন্য বড় উপহার নিয়ে হাজির মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে না আসতেই এবার পূর্ব মেদিনীপুরের বন্যা কবলিত এলাকার মানুষদের জন্য ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান (Ghatal Master Plan) নিয়ে বড়সড় ঘোষণা করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।
Ghatal Master Plan নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
বুধবার এই বন্যা কবলিত এলাকায় নদী ভাঙনের সমস্যার পাকাপাকি সমাধান করার লক্ষ্যে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য চলতি অর্থবর্ষে মোট ১,২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, ‘এই অর্থবর্ষে আমরা ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের জন্য মোট ১,২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করবো। কেন্দ্র এই তহবিলের ৫০ শতাংশ দেবে এবং বাদবাকি অর্থ রাজ্য সরকারের তরফে বরাদ্দ করা হবে।’ তিনি জানিয়েছেন এই, তহবিলের একটি অংশ দুর্যোগ মোকাবিলা বিভাগ থেকে আসবে।
আরও পড়ুনঃ ‘কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে কেস করব’, কুণালের মন্তব্যের পাল্টা হুঁশিয়ারি সৌমিত্র খাঁ’র
সূত্রের খবর, এদিন ঘাটাল সংলগ্ন একাধিক বন্যা-কবলিত এলাকায় আকাশপথে সমীক্ষা চালানোর পরেই ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে এই ঘোষণাটি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু তাই নয় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কাঁচা বাড়ির সদস্যদের জন্য ১.৮০ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি। এই সমস্ত বাড়ির তালিকায় টালি, অ্যাসবেস্টস, টিন বা খড়ের তৈরি বাড়িগুলিও থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এই তালিকা তৈরীর জন্য প্রয়োজনে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের বিডিও, স্থানীয় বিধায়ক এবং পুলিশের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘাটালের এই মাস্টার প্ল্যান সংক্রান্ত কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য স্থানীয় বিধায়কদের নির্দেশ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আগামী বছরে অর্থ্যাৎ ২০২৭ সালের জুন মাসের মধ্যে এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ শেষ করতে হবে।
এখানেই শেষ নয় মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এমন কৃষক যাঁদের ধান, সবজি ও পানের খেত রয়েছে তাঁদের তালিকাভুক্ত করে প্রধানমন্ত্রীর শস্য বিমা প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজনে ক্ষতিপূরণ মূল্যায়ন এবং প্রকল্পের বিধান অনুযায়ী অর্থ দেওয়া হবে।













