বাংলা হান্ট ডেস্ক : দুর্গাপুজো মানেই পাড়ার মণ্ডপ, প্রতিমা আর অঞ্জলির প্রস্তুতি। কিন্তু নিউটাউনের CC ব্লকে এ বছর পুজোর দায়িত্ব কার হাতে যাবে, সেই নিয়ে বিবাদ চরমে ওঠে। দুই গোষ্ঠীর বিবাদ আদালতে পৌঁছনোর পর কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশেই লটারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুজোর আয়োজক বাছাই করতে এবার লটারির উপর ভরসা।
পুজোর দায়িত্ব নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) রায়
পুজোর জায়গা নিয়ে মূল সমস্যা তৈরি হয় হিডকোর জমিকে ঘিরে। সেখানে দুর্গাপুজো আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি না থাকায় বিষয়টি নিয়ে আপত্তি ওঠে। একইসঙ্গে পুজোর সম্ভাব্য বার্ষিক ব্যয়ের হিসাবও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা পড়েনি। এই দুই কারণ সামনে রেখে NKDA পুজোর অনুমোদন বাতিল করে দেয়।
এরপরই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। একই জায়গায় পুজো আয়োজনের অধিকার নিয়ে CC ব্লক রেসিডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এবং স্থানীয় প্রতিবেশীদের একটি প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ তীব্র হয়। কে পুজো করবেন, তা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে টানাপোড়েনের জেরেই শেষ পর্যন্ত বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টে গড়ায়।
মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও একটি বিকল্প পদ্ধতির নির্দেশ দেন। দুই পক্ষের মধ্যে কারা চলতি বছরের দুর্গাপুজোর আয়োজন করবেন, তা লটারির মাধ্যমে ঠিক করতে হবে। এই প্রক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হবে, সেই সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এস্টেট ম্যানেজারকে। দীর্ঘদিনের বিরোধের নিষ্পত্তি এবার কোনও পক্ষের দাবি বা পাল্টা দাবির ভিত্তিতে নয়, লটারির ফলেই হতে চলেছে।

আরও পড়ুন : বাড়িতে শৌচাগার তৈরির জন্য মিলবে ১২ হাজার টাকা! কারা পাবেন, কী করতে হবে জানুন
সেই ফলাফলের উপরই নির্ভর করছে CC ব্লকের পুজোর মণ্ডপে কোন গোষ্ঠী আয়োজনের দায়িত্ব পাবে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা শেষ পর্যন্ত কার পরিচালনায় পুজোয় অংশ নেবেন। তবে পুজোর আয়োজক নির্ধারণের পাশাপাশি এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা নিয়েও সতর্ক আদালত। দুই পক্ষের মধ্যে চলা বিরোধ যাতে পুজোর সময় কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির জন্ম না দেয়, তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় পুলিশকে নজরদারি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।













