ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারত হারলেও ফর্মে ফিরলেন স্যামসন, ছুঁয়ে ফেললেন কোহলির বিরাট রেকর্ড

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্কঃ সাই হোপের শতরানে ভর করে ভারতের বিরুদ্ধে (India vs West Indies) দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শুরুতেই পরপর উইকেট হারিয়েও ভারতীয় দলের (Indian Cricket Team) দেওয়া পাহাড়প্রমাণ রান ৯ বল বাকি থাকতেই চেজ করে ফেলেছে ক্যারিবিয়ানরা। মূলত সঞ্জু স্যামসনের (Sanju Samson) ব্যাটে ভর করেই ২৫০ রানের টার্গেট সেট করতে পেরেছিল ভারত। আর প্রথম ইনিংসে অসাধারণ ব্যাটিং করে বিরাট কোহলির (Virat Kohli) একটি বিশেষ রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছেন সঞ্জু।

এশিয়ান গেমসে একেবারেই নিজের সেরা ছন্দে ছিলেন না সঞ্জু স্যামসন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম ম্যাচেও তিনি ছিলেন নিষ্প্রভ। কাল বহুদিন পর অফফর্মে থাকার ধারা কাটিয়ে ব্যাটে রান পেয়েছেন সঞ্জু। ভারতের অপর ওপেনার অভিষেক শর্মা ভালো শুরু করে দ্রুত ড্রেসিংরুমে ফিরলেও সঞ্জু প্রথমে ঈশান ও পরে অন্যান্যদের সাথে জুটি বেঁধে ভারতকে ভালো জায়গায় পৌঁছে দিয়েছিলেন।

গতকাল ৪১ বলে ৯ টি চার ও ৪ টি ছক্কা সহযোগে ২০০ স্ট্রাইক রেটে ৮২ রানের একটি ঝকঝকে ইনিংস খেলেন সঞ্জু। তার আগে নিজের হাফসেঞ্চুরি পূরণ করার জন্য তিনি সময় নিয়েছিলেন মাত্র ২১ বল। আর অর্ধশতরান সম্পূৰ্ণ করা মাত্রই তিনি বিরাট কোহলির রেকর্ড স্পর্শ করে ফেলেছেন। 

এর আগে ২০১৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে হোম সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ২১ বলে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন কোহলি। সেটিই ছিল টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে কোনও ভারতীয়র ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি। কিন্তু এদিন কোহলির সেই রেকর্ড ভাঙতে না পারলেও ছুঁয়ে ফেললেন সঞ্জু।

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ জিততে চাইলে শুভমান গিলের থেকে নেতৃত্ব কেড়ে নিক গম্ভীর! বিস্ফোরক প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার

ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা নজর করেছেন যে ইনিংসের প্রথম ৫ থেকে ১০ বলে সঞ্জুর ফিট মুভমেন্ট একেবারে হয় না বললেই চলে। সেই সময় প্রতিপক্ষকে নিজের উইকেট তোলার অনেক সুযোগ দেন তিনি। কালও ঠিক এমন চিত্রই দেখা গেলে। কিন্তু ক্রিজে ১০ টি বল খেলার পরেই নিজের ছন্দ খুঁজে পেয়ে যান এই তারকা ওপেনার। তারপর আর কোনও ক্যারিবিয়ান বোলার তাকে আটকে রাখতে পারেনি। এই ইনিংস খেলে আপাতত ভারতীয় দলে নিজের জায়গা বজায় রাখতে সম্ভব হলেন সঞ্জু।