Durga Puja 2026 Live Updates

বদলে গেল লোকভবনের প্রবেশদ্বারের নাম, রবীন্দ্রনাথ-ক্ষুদিরামের নামে ৬টি গেটে বসল নেমপ্লেট

Published on:

Published on:

Kolkata's Iconic Governor House Gates Name Changed after Rajbhavan renamed as Lokbhavan
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বাংলায় বিজেপি সরকার (BJP Government) আসার পর থেকে একাধিক রাস্তার নামকরণের খবর প্রকাশ্যে এসেছে। এমনকি কয়েক মাস আগেই রাজভবন এর নাম পাল্টে লোকভবন হয়ে গিয়েছে। তবে এবার জানা যাচ্ছে, লোকভবনের যে ছয়টি প্রবেশদ্বার রয়েছে সেগুলোরও নাম বদলে (Lokbhavan Gate Name Changed ) যেতে চলেছে। তবে কি বিশেষ কোনো ব্যক্তিত্বের নামে নামকরণ হবে? জানতে আজকের প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ পড়ুন।

বদলে গেল লোক ভবনের ৬টি প্রবেশদ্বারের নাম

যেমনটা জানা যাচ্ছে, বাংলার সাহিত্য থেকে ইতিহাস ও সমাজ সংস্কারের সাথে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত থাকা বেশ কিছু ব্যক্তিত্বদের নামেই এই ছয়টি গেটের নামকরণ বদলানো হয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম একটি হল দক্ষিণের প্রবেশের গেট, যেটি এবার থেকে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্রের নামে। আর সাধারণ মানুষের প্রবেশের গেটটির নাম করা হবে ‘কবিগুরু দ্বার’।

মূলত, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথ রায়, বিধান চন্দ্র রায়, রাজা রামমোহন রায়, সিধু-কানহো থেকে খুদিরাম বসুর নামেই এই ছয়টি গেটের নামকরণ করা হবে। অর্থাৎ লোকভবনের আনাচে কানাচে স্বীকৃতি পাবে বাংলার সাহিত্য থেকে শুরু করে স্বাধীনতা সংগ্রাম, রাজনীতির ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বরা ও নবজাগরণ। এবার নিশ্চই ভাবছেন কোন গেটটি কার নামে হবে?

আরও পড়ুনঃ একটা সম্প্রদায়কে বাংলাদেশে পাঠাবে বলেছিল, আজ তৃণমূলকে কেউ ডাকছে না: শুভেন্দু অধিকারী

সূত্রমতে, দক্ষিণের প্রবেশদ্বারের নাম যেমনটা আগে বলা হয়েছে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামেই করা হবে। এরপর কলকাতা হাইকোর্টের দিকে যে গেটটি রয়েছে, যেখান থেকে মুখ্যমন্ত্রী প্রবেশ করেন লোকভবনে, সেই গেটের নাম হবে, বিধানচন্দ্র রায়। এছাড়া পূর্ব দিকের গেটের নাম রাখা হবে ‘সিধু কানহো দ্বার, আর উত্তর পূর্ব দিকের গেটের নাম রাখা হবে রাজা রাম মোহন রায়ের নামে। রইল বাকি উত্তর-পশ্চিম দিকের গেট, সেটির নাম হবে শহীদ ক্ষুদিরামের নেতৃত্বে যাবে।

যদিও এই গেটগুলির নাম পরিবর্তন হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে পুনরায় উচ্ছেদের মত সমস্যা থাকবে না। বরং সমস্ত গেটের নাম একসাথে বেশ ভালো লাগবে বলেও করা হয়েছে। এছাড়া এই নামকরণ বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে খুব সুন্দর করে প্রেসেন্ট করতে পারা যায়। তবে শুধুমাত্র নামবদল নয়, সাথে খোদাইকরা টাইলস বদলেছে। একইসাথে একটি করে অশোক স্তম্ভও দেখা যাচ্ছে।