বাংলা হান্ট ডেস্ক : ‘বিগ বস বাংলা’র (Bigg Boss Bangla) ঘরে এবার ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সৃজলাকে ঘিরে সোনামণি সাহার বক্তব্য শুনে বিস্মিত দুর্নিবার। দুর্নিবারের সঙ্গে সৃজলার কথোপকথন নিয়ে সোনামণি যে দাবি করেছেন, তা ঘিরেই শুরু হয় আলোচনা।
‘বিগ বস বাংলা’র (Bigg Boss Bangla) ঘরে কোন তথ্য ফাঁস কথা করলেন সোনামণি?
সোনামণির বক্তব্য অনুযায়ী, সৃজলা তাঁকে জানিয়েছিলেন যে দুর্নিবার মাইক না পরেই নিজের পছন্দের কথা তাঁর কাছে প্রকাশ করেছেন। এই পরিস্থিতিতে কী করবেন, তা বুঝতে না পেরে সৃজলা নাকি সোনামণির কাছে নিজের দুশ্চিন্তার কথাও বলেছিলেন। সোনামণির দাবি, সৃজলা তাঁকে বলেছিলেন, “আমি কী করব? আমার ভয় করছে সোনা, একদিকে জীতু, অন্যদিকে দুর্নিবার কোনদিকে যাব বুঝতে পারছি না।”
তবে সোনামণির এই বক্তব্য মেনে নিতে পারেননি দুর্নিবার। তাঁর দাবি, সৃজলাকে তিনি এমন কোনও কথা বলেননি। বিষয়টি নিয়ে আর আলোচনা না করার শর্তে সোনামণিকে নমিনেশন থেকে বাদ রাখার প্রস্তাবও দেন তিনি। কিন্তু দুর্নিবারের এই প্রস্তাবে রাজি হননি সোনামণি। তিনি স্পষ্ট করে দেন, নমিনেশনের আশঙ্কায় তিনি নিজের বক্তব্য থেকে সরে আসবেন না। যদিও একইসঙ্গে জানান, এই প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি আর কথা বাড়াবেন না। ফলে সৃজলাকে ঘিরে এই কথোপকথনের পর ঘরের ভিতরে কী প্রভাব পড়ে, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
এই বিতর্কের মধ্যেই বিগ বসের ঘরে ঘটে যায় আরও একটি বড় ঘটনা। নমিনেশন পর্ব শেষ হওয়ার পর প্রতিযোগীদের জানানো হয়, শারীরিক অসুস্থতার কারণে ঝিলম গুপ্তকে শো ছেড়ে বেরিয়ে যেতে হবে। ভোটের ফলের ভিত্তিতে নয়, চিকিৎসকদের পরামর্শ এবং তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন : মিড ডে মিলে এবার চিকেন বিরিয়ানি! স্কুলে বিশেষ আয়োজন ঘিরে পড়ুয়াদের মধ্যে উচ্ছ্বাস তুঙ্গে
বিগ বসের ঘোষণা শুনে ঝিলম প্রথমে হতবাক হয়ে যান। ঘরের অন্য সদস্যরাও এমন সিদ্ধান্তের জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। হঠাৎ এই বিচ্ছেদের খবর মেনে নিতে পারেননি অনেকেই। কারও চোখে জল, কেউ আবার কান্না সামলাতে পারেননি। সেই আবেগঘন মুহূর্তে ঝিলম নিজেই আগমনী গান ধরেন। তাঁকে সঙ্গ দিতে বাকিরাও গলা মেলান। কান্নাভেজা পরিবেশে গান গেয়েই ঘরের সঙ্গীদের কাছ থেকে বিদায় নেন তিনি।বিগ বস বাংলার সোমবারের পর্বে সৃজলাকে ঘিরে সোনামণির দাবি যেমন নতুন আলোচনা তৈরি করেছে, তেমনই ঝিলমের বিদায় দর্শকদের সামনে তুলে ধরেছে প্রতিযোগীদের আবেগের আরেকটি দিক। আগামী দিনে এই মন্তব্যের জেরে সম্পর্কের সমীকরণ বদলায় কি না, সেটাই দেখার।














