বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ‘চোরবাগান কাণ্ডে (Chorbagan Stampede Incident) জোর ভয় পেয়েছে বিজেপি’, এমনটাই দাবি মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক কুণাল ঘোষের। অ্যামহার্স্ট স্ট্রিট থানায় এক সহকর্মীর জামিন করাতে গেলে বিজেপির লোকেরা থানার দরজা আটকে অসভ্যতা করেছে বলে জানালেন তিনি। এদিন সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে আরও একাধিক কথা বলেছেন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।
চোরবাগান কান্ডের প্রতিবাদে প্রতিবাদকারীদের ভুয়া মামলায় গ্রেফতার করা হচ্ছে!
এদিন নিজের বক্তব্যের শুরুতেই কুণাল ঘোষ বলেন, চোরবাগানে এত বড় ঘটনা ঘটলো! মৃত্যুর মিছিল, দখলদারির রাজনীতি করতে গিয়ে, বিজেপি নেতারা কমিটি দখল করতে গিয়ে, একটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তারা তৈরি করার ক্ষেত্রে প্রস্তুত করে দিলেন। এখন চোরবাগানের যারা মাথা তাদের ধরার নাম নেই। কিন্তু চোরবাগান কান্ডের প্রতিবাদে যারা বিক্ষোভ করেছে, তাদের বিভিন্ন পুরনো মামলা তাদের বিভিন্ন ভুয়া মামলা, সাজানো মামলায় গ্রেফতার করা শুরু হয়ে গিয়েছে।
এরপর তিনি আরও বলেন, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সৈনিক তৃণমূল কংগ্রেসের দুজনকে একটি জোড়াসাঁকো থানা, একটি আমার সিট থানা তারা গ্রেফতার করেছে। এবার গিরিশপ্ক থানায় যেহেতু আমরা তৃণমূল কংগ্রেস মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সৈনিক কংগ্রেস এবং বামফ্রন্ট আমরা বিক্ষোভ করেছিলাম। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোপ, এখন শোনা যাচ্ছে সেখানেও আবার একটা অভিযোগ দায়ের হয়ে গেছে যে, কেন বিক্ষোভ হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ ‘আগামী ৩০ বছরেও ক্ষমতায় আসবে না’ কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ অমিত শাহের
তারপর তিনি আরও জানান, এবার সকালে আমাদের এক কর্মীকে অ্যারেস্ট করা হয়েছে কাগজ কলমে দেখানো হচ্ছে অন্য মামলা। বেলায় আরেকজন কর্মী কে অ্যারেস্ট করা হয়েছে। সেই খবর পেয়ে আমি যখন অ্যামহার্স্ট স্ট্রিট থানায় গেলাম এবং ওসির সঙ্গে কথা বলছি যে আমাদের অভিযোগ আপনারা আন্দোলন করছে বলে অ্যারেস্ট হয়েছে। ওসি বলছে না একটা পুরনো মামলা আছে।
আলোচনা তো হতেই পারে। পুলিশ তার কথা বলছে আমরা আমাদের। কিন্তু সেই সময়েই বিজেপি অ্যামহার্স্ট স্ট্রিট থানায় হামলা ও অসভ্যতা শুরু করে বলে জানাচ্ছেন কুণাল ঘোষ। একইসাথে তিনি জানান, একজন বিধায়ক হয়ে আমি একটা থানায় আমার এক সহকর্মী অ্যারেস্ট হয়েছে যে কারণেই হোক আমি আমার একটা অভিযোগ নিয়ে গেছি। পুলিশ তার কথা বলছে, আমি ওসির সঙ্গে আলোচনা করছি। আমার আলোচনা করার রাইট নেই? সঙ্গে সঙ্গে গেটে হামলা করবে? ওসব হামলা এসব চার আনার এদের আমি তোয়াক্কাও করি না কিন্তু এর থেকে প্রমাণিত হয় যে এই বাংলায় একজন বিধায়ক একটা থানার মধ্যে একজন ওসির সঙ্গে কথা বলতে পারেন না শান্তিতে?
তাছাড়া, একজন আমার একজন সহকর্মী আমাদের একজন সহকর্মী অ্যারেস্ট হয়েছে। সেখানে কি একজন রাজনৈতিক সহকর্মী হিসেবে আমরা যেতে পারি না? আমরা তো গিয়ে কি বলছি আমরা জিজ্ঞাসা করছি কি হয়েছে? আমাদের অভিযোগ চোর বাগানের বিরুদ্ধে বলছে সেইজন্য অ্যারেস্ট করা হচ্ছে। আবার পুলিশ বলছে দেখুন এটার এই মামলা আছে এই এই আইনের খুঁটিনিও তো বুঝতে যে ছেলেটা অ্যারেস্ট হয়েছে তাকে তো জামিনটাও করাতে হবে। সেই সময় যখন ওসির সঙ্গে কথা হচ্ছে অ্যাডিশনাল ওসির সঙ্গে কথা হচ্ছে শান্তিপূর্ণ আলোচনা চলছে। গেটে তারা হামলা করছে অসভ্যতা করছে।
জোর ভয় পেয়েছে বিজেপি তাই যে কোনো মূল্যে থামানোর চেষ্টা চলছে : কুণাল ঘোষ
আমায় পুলিশ বলেছিলেন যে আপনারা থানার অন্য গেট দিয়ে আমার গাড়ি রেডি করে দিচ্ছেন বেরোতে। আমি পরিষ্কার বলে দিয়েছি। বিজেপি গেট আটকে রেখেছে বলে কুণাল ঘোষ পেছনের কোন দরজা দিয়ে বেরোবে না। বিজেপিকে সরান, ওই কটা ঠিকভাবে কথা উচ্চারণ করতে পারছে না দাঁড়িয়ে রয়েছে, অসভ্যতা করছে, কেউ শিখিয়ে দিয়ে গেছে আর আমি যাব পেছনের দরজা দিয়ে যাব না। আমি ওই সামনে দিয়েই বেরব পুলিশ সরান ওদের গেট থেকে এরপর পুলিশ ওদের সরিয়ে দেয়। আসলে ভয় পেয়েছে নার চোরবাগান কেসটায় ভয় পেয়ে গেছে। চোরবাগান কেসটা এতটা ভয় পেয়েছে যে কোন মূল্যে সেটাকে থামাতে হবে। কারণ ওখানে জেলা সভাপতি আছে বিজেপির। বিজেপির জেলা সভাপতি তমঘ্ন ঘোষ অ্যারেস্ট হচ্ছে না কেন?’ এছাড়া আর কি বললেন তিনি? দেখে নিন ভিডিওতে।














