দুর্গাপুজোর হাত ধরে রাজ্যের বিপুল আয় বৃদ্ধি! কোষাগারে এল ৬০ কোটির রাজস্ব

Published on:

Published on:

West Bengal earned revenue of 60 crore during Durga Puja

বাংলা হান্ট ডেস্ক : উৎসবের মরশুমে বাংলার (West Bengal) অর্থনীতির জন্য সুখবর। দুর্গাপুজোকে ঘিরে মানুষের কেনাকাটা, ঘোরাঘুরি এবং বাইরে খাওয়াদাওয়ার প্রবণতা যে কতটা বাড়ে, তারই প্রতিফলন এবার দেখা গেল রাজ্যের কর আদায়ের পরিসংখ্যানে। বিশেষ করে হোটেল ও রেস্তরাঁ শিল্পে ব্যবসার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বিপুল রাজস্ব ঢুকল রাজ্যের (West Bengal) কোষাগারে

পুজোর সময় এই একটি ক্ষেত্র থেকে সরকারের ঘরে জমা পড়েছে প্রায় ৬০ কোটি টাকা জিএসটি। গত বছরের তুলনায় কর আদায়ের বৃদ্ধির হার প্রায় ৩৫ শতাংশ। ব্যবসায়িক হিসাব বলছে, বাংলার হোটেল ও রেস্তরাঁ শিল্পে চলতি বছরের উৎসবের মরশুমে লেনদেনের পরিমাণ আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে।

২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে এই শিল্পে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৬৫০ কোটি টাকার ব্যবসা হয়েছিল। কিন্তু সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে ছবিটা বদলে যায়। ওই দুই মাসে মাসিক লেনদেনের অঙ্ক পৌঁছে যায় প্রায় ১,০০০ কোটি টাকায়। অর্থাৎ, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রতি মাসে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা বেশি ব্যবসা হয়েছে। বৃদ্ধির হার হিসাব করলে তা প্রায় ৫৪ শতাংশ। এই বাড়তি আয়ের পিছনে দুর্গাপুজোর সময় রাজ্যজুড়ে তৈরি হওয়া উৎসবের আবহ বড় ভূমিকা নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

West Bengal earned revenue of 60 crore during Durga Puja

তবে পুজোর সময়ে ব্যবসা বাড়লেও খাদ্য পরিষেবার মান নিয়ে যাতে কোনও আপস না হয়, সেদিকেও নজর রেখেছিল প্রশাসন। উৎসব শুরু হওয়ার আগেই খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হোটেল, রেস্তরাঁ ও খাবারের দোকানে পরিদর্শন চালান। সেই অভিযানে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে রান্নার জায়গা ও খাবার সংরক্ষণের পরিবেশ নিয়ে অসঙ্গতি ধরা পড়ে।

আরও পড়ুন :‘আর কিছুদিন অপেক্ষা করুন’! নভেম্বরের কিস্তির আগেই অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় বার্তা মন্ত্রীর

নিয়ম না মানার অভিযোগে কোথাও খাবার ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়, আবার কোনও প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। উৎসব শেষ হলেও নজরদারিতে বিরতি দেয়নি খাদ্য সুরক্ষা দফতর। পুজোর ভিড়কে কাজে লাগিয়ে ব্যবসার প্রসার ঘটানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছে নিরাপদ খাবার পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।