বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বাংলার পুরনো মঠ, মন্দিরগুলি সংস্কারে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। এর জন্য আগামী দু’বছরে ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে। শুক্রবার নদিয়ার আড়ংঘাটার একটি কালীপুজো উদ্বোধনের সময় তীর্থক্ষেত্র সার্কিটের (Tirtha Khetra Circuit) কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
মঠ-মন্দির সংস্কারে তীর্থক্ষেত্র সার্কিটের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর | (Suvendu Adhikari)
এদিন আড়ংঘাটার শতদল ক্লাবের কালীপুজোর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময়ই তীর্থক্ষেত্র সার্কিটের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “রাজ্যের যত পুরনো মঠ ও মন্দির রয়েছে, সেগুলি সংস্কারের জন্য আগামী দু’বছর ১ হাজার কোটি টাকা খরচ করা হবে। নাম দেওয়া হয়েছে তীর্থক্ষেত্র সার্কিট।“

শুভেন্দু জানান, ব্যক্তিগত সম্পত্তি বাদে দেবোত্তর, সার্বজনীন, ট্রাস্টের যেসব মন্দিরগুলি রয়েছে সেগুলি সংস্কার করে নতুন করে সাজিয়ে তোলা হবে। অযোধ্যা, কেদারনাথ, বদ্রিনাথ, উজ্জয়িনী মহাকাল, কাশী বা বেনারসে যে কাজ ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী করেছেন, সেই কাজ এবার রাজ্যে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এছাড়া জগদ্ধাত্রী পুজো ও রাস পূর্ণিমা নিয়েও রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, আসন্ন জগদ্ধাত্রী পুজোয় কৃষ্ণনগর ও চন্দননগরকে বিশেষভাবে সাজিয়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। একইরকমভাবে রাস পূর্ণিমার সময় কোচবিহার, নবদ্বীপ ও শান্তিপুরকে সাজিয়ে তোলা হবে।
শুভেন্দু বলেন, “এবারের গঙ্গাসাগর মেলাকে আন্তর্জাতিক মেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। জগদ্ধাত্রী পুজোর সময় কৃষ্ণনগর ও চন্দননগর যাব। আগামী ২২ তারিখ রাস পূর্ণিমায় নবদ্বীপ আসব ও অনুষ্ঠানে অংশ নেব। ওই দিন প্রভু চৈতন্যদেবের ধামে ধর্মীয় কার্যক্রমেও অংশগ্রহণ করব।“
রাজ্যের নানা প্রান্তে বহু ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন মঠ, মন্দির রয়েছে। এবার সেগুলি সংস্কারে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার। তীর্থক্ষেত্র সার্কিটের মাধ্যমে আগামী দু’বছরে ১ হাজার কোটি টাকা খরচ করা হবে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।












