কাটতে চলেছে ১৫ বছরের জট, ১০ হাজার কোটি টাকার রেল প্রকল্প নিয়ে বৈঠক নবান্নে

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : রাজ্যে সরকার বদল হতেই একের পর এক পরিবর্তন আসছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। এবার বিরাট বদল আসতে চলেছে বাংলার রেল যোগাযোগেও। এতদিন ধরে আটকে থাকা একগুচ্ছ রেল (Indian Railways) প্রকল্পে এবার গতি আসতে চলেছে। জানা যাচ্ছে, পূর্বতন তৃণমূল সরকারের অসহযোগিতায় গত ১৫ বছরে ১৫০ টিরও বেশি রেল প্রকল্প থমকে ছিল রাজ্যে। প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বাজেটের এই সমস্ত রেল প্রকল্প অবশেষে শুরু হতে চলেছে বলে মিলেছে খবর।

রেল (Indian Railways) প্রকল্প নিয়ে বৈঠক নবান্নে

ক্ষমতা বদল হয়েছে নবান্নে। আগামী ৬ জুন নবান্নে আসছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। জানা যাচ্ছে, আটকে থাকা রেল প্রকল্পগুলি চালু করতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ম্যারাথন বৈঠক চালাবেন তিনি। ওই বৈঠকে আমন্ত্রণ রয়েছে বিধায়ক, সাংসদদের। এছাড়াও পূর্ব রেল, দক্ষিণ পূর্ব রেল, নর্থ ফ্রন্টিয়ার রেল এবং কলকাতা মেট্রো রেলের জেনারেল ম্যানেজার সহ শীর্ষ আধিকারিকরাও থাকবেন বৈঠকে।

A meeting to be held in nabanna about Indian Railways projects

থমকে একাধিক প্রকল্প: প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রায় একশোর বেশি প্রকল্প আটকে রয়েছে জমি জটের জন্য। অনেক ক্ষেত্রে পরিকাঠামো উন্নয়নে রাজ্য সরকারের অর্থ বরাদ্দ ছিল। এমনকি স্থানীয় প্রশাসনের তরফেও রেলের সঙ্গে অসহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে। এই সমস্ত কারণে সমগ্র দেশের তুলনায় রেল উন্নয়নের ক্ষেত্রে পিছিয়ে থেকেছে বাংলা। রেল ওভারব্রিজ তৈরি, সেতু, আন্ডারপাস থেকে স্টেশন সংষ্কার সব ক্ষেত্রেই কাজ আটকে ছিল এতদিন।

আরও পড়ুন : ‘একবার নয়, চারবার…’, বড় বিপাকে রচনা

অসহযোগিতার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে: প্রশাসন সূত্রে খবর, এর আগে রেলের বিভিন্ন কাজের জন্য অনুমোদন চেয়ে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি আসত। কিন্তু পাল্টা জবাব মেলেনি নবান্নের তরফে। এও জানা গিয়েছে, প্রাক্তন রেলমন্ত্রী (Indian Railways) সুরেশ প্রভু ১৩ বছর আগে নবান্নে গিয়ে মমতার সঙ্গে বৈঠক করে আটকে থাকা রেল প্রকল্পগুলিতে গতি আনতে উদ্যোগী হয়েছিলেন। কিন্তু রাজনৈতিক মতপার্থক্যের জেরে তা আর ফলপ্রসূ হয়নি। অবশেষে সেইসমস্ত প্রকল্পে গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন : এক প্যাকেট পোস্তও ডেকে আনতে পারে বিরাট বিপদ, ট্রেন বা প্লেন সফরের আগে জানুন নিয়ম

সূত্রের খবর অনুযায়ী, আগামী শনিবারের বৈঠকে যাত্রীবাহী ট্রেনের পাশাপাশি পণ্য পরিবহন নিয়েও আলোচনা হবে বলে জানা যাচ্ছে। ২১০০ কিমি দীর্ঘ ডানকুনি-সুরাট ফ্রেট করিডর নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এই পণ্য পরিবহণ রেলপথ তৈরি হয়ে গেলে বাংলার শিল্পে জোয়ার আসবে।