‘কাঙাল’ পাকিস্তানে একী কাণ্ড! সামনে এল এমন রিপোর্ট, পড়শি দেশে শুরু হইচই

Published on:

Published on:

A shocking report has emerged from Pakistan.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বিগত কয়েক বছর ধরেই পাকিস্তান (Pakistan) চরম আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে রয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই দেশের অর্থনীতিও যথেষ্ট দুর্বল জায়গায় রয়েছে। ঠিক এই আবহেই এমন একটি রিপোর্ট সামনে এসেছে যেটি ইসলামাবাদে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। যার কারণে গোটা পাকিস্তানে উদ্বেগ বেড়েছে। বর্তমান প্রতিবেদনে এই প্রসঙ্গে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপিত করা হল।

চরম সঙ্কটের সম্মুখীন পাকিস্তান (Pakistan):

রিপোর্টে কী বলা হয়েছে: একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ১০ মাসে পাকিস্তানের পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি ২০ শতাংশ বেড়ে ৩২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এতে দেশটির ভঙ্গুর অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। পাকিস্তান ব্যুরো অফ স্ট্যাটিস্টিক্স তথা PBS-এর সরকারি তথ্য উদ্ধৃত করে ‘দ্য নিউজ’ জানিয়েছে যে, আমদানির পরিমাণ রফতানির দ্বিগুণেরও বেশি ছিল।

A shocking report has emerged from Pakistan.

PBS-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জুলাই-এপ্রিল সময়কালে (১ জুলাই থেকে ৩০ জুন) আমদানি প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ৫৭.২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে রফতানি ৬ শতাংশের বেশি কমে ২৫.২ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই ব্যবধান বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে এবং পাকিস্তানি মুদ্রাকে প্রভাবিত করছে।

আরও পড়ুন: বন্ধ ৬,৬০০-রও বেশি সংস্থা, ধুঁকছে ৪২ শতাংশ কারখানা! মমতার আমলে বঙ্গের শিল্পে করুণ চিত্র

আর কী জানা গিয়েছে: রিপোর্ট অনুসারে, ২০২৬ সালের এপ্রিলেও এই পতন অব্যাহত ছিল। সেই সময়ে মাসিক বাণিজ্য ঘাটতি এক বছর আগের তুলনায় প্রায় ৪ শতাংশ বেড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। এদিকে, মাসিক রফতানি ১৪ শতাংশ বেড়ে ২.৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছলেও, তা আমদানির চেয়ে কম ছিল। যা ৭.৫ শতাংশ বেড়ে ৬.৫৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছিল।

আরও পড়ুন: ভারতে সত্যিই দেখা যাবে না ফুটবল বিশ্বকাপ? রিলায়েন্সের প্রস্তাব ফেরাল ফিফা, চিন্তায় অনুরাগীরা

এদিকে, সার্ভিস বিজনেসের ক্ষেত্রে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া গিয়েছিল। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জুলাই-মার্চ সময়কালে সার্ভিস বিজনেস ঘাটতি ৬.৭ শতাংশ কমে ২.১৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এদিকে, সার্ভিস এক্সপোর্ট ১৭ শতাংশ বেড়ে ৭.৩৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এছাড়াও, সার্ভিস ইম্পোর্ট প্রায় ১১ শতাংশ বেড়ে ৯.৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।