নবান্নে এবার কোন ফুল! ভোটের ফলের আগেই বড় ইঙ্গিত দিলেন অধীর চৌধুরী

Published on:

Published on:

Adhir Chowdhury gives a big hint before the election results
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ভোটগ্রহণ শেষ হতেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক আবহাওয়া আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ফল ঘোষণার আগে থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের জয়ের হিসেব কষতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের নেতা অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury) তুলনামূলক সংযত। এই আবহে নির্বাচনের ফলাফল সহ বিভিন্ন ইস্যুতে নিজের মত প্রকাশ করলেন তিনি।

কী বললেন অধীর (Adhir Chowdhury) ?

বিজেপির পক্ষ থেকে যেখানে ২০০-র বেশি আসন জয়ের দাবি শোনা যাচ্ছে, সেই সময় তাদের আত্মবিশ্বাসকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ অধীর। রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, বাংলায় গেরুয়া ঝড় বইবে এবং তাঁদের হাতেই যাবে ক্ষমতা। এই প্রসঙ্গে অধীর চৌধুরী বলেন, “বিজেপি কী দাবি করল তাতে কিছু যায় আসে না। আমাদের ৪ মে (ভোটের গণনা) পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।” শাসক দলের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ প্রসঙ্গে তাঁর মত, “সরকার বিরোধী মানুষের সংখ্যা প্রবল। সেই জনরোষের বিস্ফোরণে কে কোথায় যাবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়।”

শেষ দফার ভোটে ডায়মন্ড হারবারের ফলতা এলাকায় ইভিএমে সেলোটেপ লাগানো নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে সরব হয়েছেন অধীর। এই ইস্যুতে সরাসরি নাম না করলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে অধীর বলেন, “ওগুলো তো ‘টেরর’ এলাকা। ওখানে খোকাবাবু ৭-৮ লক্ষ ভোটে জেতেন ঠিকই, কিন্তু সেটা লুঠপাট করেই হয়।” এই ঘটনার ব্যাখ্যা করে তার মন্তব্য, “বোঝাই যাচ্ছে, ভোট দিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। ইভিএমে সেলোটেপ মারা মানেই ওখানে ভোট দিও না, এটা স্পষ্ট।”

এদিকে, বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে সকলের বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শুভেন্দু অধিকারী, ফলে রাজনৈতিক লড়াই স্বাভাবিকভাবেই হাই-ভোল্টেজ। এই কেন্দ্রে বেশি সংখ্যক ভোট পড়তে পারে বলে মত অধীরের।

Adhir Chowdhury gives a big hint before the election results

আরও পড়ুন : স্ট্রংরুমে মমতার ‘পাহারা’ ঘিরে তৎপর শুভেন্দু! জরুরি বৈঠকের ডাক, নিজেও যাচ্ছেন গণনাকেন্দ্রে

অধীর বলেন, “ভবানীপুরে প্রচুর অবাঙালি ভোটার রয়েছেন। কে কাকে ভোট দিয়েছেন তা এখনই বলা কঠিন। তবে রাজ্যজুড়ে একটা সরকার বিরোধী হাওয়া আমরা ময়দানে নেমে অনুভব করেছি। এখন দেখার বিষয় হলো, সেই বিরোধী ভোট কয় টুকরো হলো এবং বড় টুকরোটি মমতা ব্যানার্জিকে মোকাবিলা করার মতো ক্ষমতা রাখে কি না।” ভোট মিটলেও রাজনৈতিক চাপানউতোর একটুও কমেনি। এখন সকলের দৃষ্টি ফল ঘোষণার দিনের দিকে, যেদিন স্পষ্ট হবে বাংলার মানুষের রায় কোন দিকে ঝুঁকেছে।