নাসিকের TCS-এর পর এবার এই শহর! NGO-র আড়ালে ধর্মান্তরণের অভিযোগ, গ্রেফতার মালিক

Published on:

Published on:

After TCS Nashik case, an attempt at religious conversion reported at an NGO in Nagpur!
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে ধর্মান্তরণ সংক্রান্ত বিতর্কের আবহে ফের নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল নাগপুরে। এর আগে নাসিকের টিসিএস (TCS Nashik Case) বিপিও সেন্টারে ধর্মান্তরণ ও হেনস্থার অভিযোগ ঘিরে দেশজুড়ে আলোড়ন তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার অভিযোগ উঠেছে ‘ফিকার ফাউন্ডেশন’ ও ‘পড়ে হাম, পড়ায় হাম’ নামে দুই এনজিওর বিরুদ্ধে, যেখানে কর্মরত মহিলাদের ওপর জোর করে ধর্মীয় রীতি চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ।

নাসিকের TCS-এর (TCS Nashik Case) পর এবার এই শহরে এনজিওতে ধর্মান্তরকরণের চেষ্টা!

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় রিয়াজ কাজী নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার আড়ালে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংস্থার মহিলা কর্মীদের ওপর ধর্মীয় চাপ সৃষ্টি করছিলেন। কর্মীদের নির্দিষ্ট পোশাকবিধি মানতে বাধ্য করা, ধর্মের নামে মানসিক ও শারীরিক হেনস্থা করা এবং কৌশলে ধর্মান্তরণের জন্য চাপ দেওয়ার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন: সোনা পাপ্পু মামলায় বাড়ছে চাপ! ইডির নজরে কলকাতা পুলিশের ডিসি, নেওয়া হল বড় পদক্ষেপ

মানকাপুর থানার ইন্সপেক্টর হরিশ কালসেকর জানিয়েছেন, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্তে যুক্ত করা হয়েছে মহারাষ্ট্র অ্যান্টি-টেরোরিজম স্কোয়াড-কে। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য হল, এই চক্র কতজন মহিলাকে টার্গেট করেছিল এবং অভিযুক্তের সংস্থার অর্থের উৎস কোথা থেকে আসছিল তা খতিয়ে দেখা। পাশাপাশি, এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তাও খুঁজে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি নাসিকে TCS-এর বিপিও সেন্টারে ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সি মহিলা কর্মীদের লক্ষ্য করে ধর্মান্তরণের অভিযোগ ওঠে। সেখানে হিন্দু দেবদেবীদের অপমান এবং জোর করে আমিষ খাবার খাওয়ানোর অভিযোগে একাধিক এফআইআর দায়ের হয়েছে। নাগপুরের এই ঘটনার সঙ্গে সেই ঘটনার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা।

After TCS Nashik case, an attempt at religious conversion reported at an NGO in Nagpur!
ধৃত রিয়াজ কাজী

আরও পড়ুন:সুরাপ্রেমীদের জন্য দুঃসংবাদ ! এবার ভোটের চার দিন আগে বন্ধ মদের দোকান

পরপর দুটি ঘটনায় একই ধরনের অভিযোগ সামনে আসায় মহারাষ্ট্র প্রশাসনের উদ্বেগ বেড়েছে। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে এনজিওর মতো সামাজিক প্রতিষ্ঠানের আড়ালে যদি এ ধরনের কার্যকলাপ ঘটে, তা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে (TCS Nashik)।