বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্কঃ ডুরান্ড (Durand Cup 2026) ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) কাছে লজ্জাজনক ভাবে হার স্বীকার করেছে মোহনবাগান (Mohun Bagan)। খাতায় কলমে দেশের সেরা স্কোয়াড নিয়েও মাত্র দুই বিদেশি সম্বল করে মাঠে নামা আন্তোনিও লোপেজ হাবাস (Antonio Lopez Habas) ব্রিগেডের কাছে ৪-১ ফলে হেরেছে সবুজ-মেরুণ শিবির। লজ্জায় ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দিতেও আসেনি মোহনবাগানের গ্রিক কোচ পানাগিওটিস ডিলেমপেরিস (Panagiotis Dilemperis)।
অনেকেই মনে করছেন সবুজ মেরুণ শিবিরের এই খেলোয়াড়রা জার্সির ওজনই বুঝতে পারছেন না। তাই তাদেরকে ক্লাবের গুরুত্ব বোঝাতে হারের পর বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ম্যানেজমেন্ট। মোহনবাগানের ঐতিহ্যকে কোচ-ফুটবলারদের কাছে তুলে ধরতে শহরের কোনও এক নামী সিনেমা হলে পুরো দলকে ‘এগারো’ সিনেমা দেখানো হবে। এমনটাই জানিয়েছেন সভাপতি দেবাশিস দত্ত।

২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিনেমায় দেখানো মোহনবাগান ক্লাবের অবিভক্ত ভারতে গড়া অবিস্মরণীয় কীর্তি, অর্থাৎ খালি পায়ে ব্রিটিশ ক্লাব ইস্ট ইয়র্কশায়ার রেজিমেন্টকে হারিয়ে আইএফএ শিল্ড জয়ের ঘটনা বর্তমান কোচ ও নতুন বিদেশীদের উদ্বুদ্ধ করবে বলে মনে করছেন মোহনবাগান সভাপতি। তবে ঠিক কবে তাদেরকে নিয়ে বসা হবে তা ঠিক হয়নি এখনও। তবে সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই পরিকল্পনার বাস্তবায়নের কথা জানিয়ে দেন।
ডুরান্ড কাপে অভিযান খুব ভালোভাবে আরম্ভ করেছিল মোহনবাগান। ইস্টবেঙ্গলকে প্রথম ম্যাচে ১-০ ফলে হারানোর পর গ্রূপের বাকি দুই দলকে গোলের মালা পড়িয়েছিল তারা। কিন্তু নক-আউট পর্ব শুরু হতেই তারা ছন্দ হারায়। জামশেদপুর ও নর্থইস্টের বিরুদ্ধে তারা টাইব্রেকারে জয় পায়। কিন্তু ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল একতরফা ভাবে তাদের উড়িয়ে দলের সমস্যাগুলি স্পষ্ট করে দেয়।
গতকালই ডুরান্ডের ট্রফি নিয়ে যাওয়া হয়েছে ময়দানে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে। আজ সকাল থেকে তাঁবুতে শোভা পাচ্ছে এই ট্রফি। এই নিয়েও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের খোঁচা মারতে ছাড়েননি লাল হলুদ সমর্থকরা। মাঠ থেকে ফেসবুক, সমর্থকদের একটাই স্লোগান, ‘ইস্টবেঙ্গল ট্রফি জিতলে তা ক্লাবেই থাকে, ইনভেস্টরের অফিসে নয়!’













